AIMIM
Bengal Liberty: বাংলায় মমতার সংখ্যালঘু ভোট নিয়ে দুশ্চিন্তায় তৃণমূল। এবার, গোদের ওপর বিষ ফোঁড়া হয়ে দাঁড়াল মিম। নির্বাচনের পূর্বে উত্তরবঙ্গে তারা ঘাঁটি বাঁধতে শুরু করেছে। এবার তাদের নতুন রণকৌশলের চাক্ষুষ করছেন রাজ্যবাসী। জানা যাচ্ছে, অন্ধকার গাঢ় হলেই সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীদের বাড়ি-বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছে দলটি।
বাংলায় ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। প্রতিটি দল নিজের ঘর গোছাতে ব্যস্ত। অঙ্কের উত্তর মিলিয়ে বাজিমাত করতে সক্রিয় প্রতিটি দল। যে তালিকা থেকে বাদ যাচ্ছে না মিম-ও।
মালদহ, মুর্শিদাবাদ জেলায় মুসলমান ভোটে নানা সমীকরণের সূচনা ঘটেছে। সেই ব্লু-প্রিন্টকে হাতিয়ার করে সূর্য অস্ত যেতে না-যেতেই সংখ্যালঘু অধ্যুষিত গ্রামের বাড়িগুলোতে হাজির হচ্ছে ‘মিম’ (AIMIM)।
সদ্য শেষ হওয়া বিহারের বিধানসভা নির্বাচনে পাঁচ আসনে জয়ী হয়েছে মিম অর্থাৎ ‘অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমীন’ (AIMIM)। তারপরই মনে জোর পেয়ে পশ্চিমবঙ্গেও ঘাঁটি তৈরিতে নেমে পড়েছে দলের কর্যকর্তারা। এর আগে কোনও নির্বাচনে এতটা সক্রিয়তাভাবে নজরে আসেনি দলটি। মুর্শিদাবাদের পাশাপাশি মালদহেও প্রচুর মানুষ যোগদান করেছেন মিমে। ১২টি বিধানসভার সবকটিতেই প্রার্থী দেবে বলে জানিয়েছে মিম।

AIMIM- এর লক্ষ্য
মালদহের ১২টি বিধানসভায় প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা করলেও মূলত ৭টি বিধানসভাকে পাখির চোখ করে মাঠে নেমেছে তাঁরা। মিমের মূল নজর রয়েছে মালদহ দক্ষিণের সুজাপুর, মোথাবাড়ি, মানিকচক এবং মালদহ উত্তরের হরিশ্চন্দ্রপুর, চাঁচল, রতুয়া, মালতীপুর। এছাড়াও দক্ষিণের ইংরেজবাজার বিধানসভাকেও আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া শুরু হয়েছে। প্রত্যেক ব্লকে তাঁরা নিজেদের কার্যালয় খুলেছে।
AIMIM- এর রণকৌশল পদ্ধতি
একেবারে নীচুস্তর থেকে সংগঠন তৈরিতে নেমে পড়েছে মিম। ধাপে-ধাপে নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করছে এই দল। তৈরিও করেছে বেশ কিছু রণকৌশল। এসআইআর এবং ওয়াকফ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থান সম্পূর্ণভাবে মুসলিম বিরোধী― এই বার্তাই ঘরে-ঘরে পৌঁছে দিতে উদ্যোগী মিম। দুর্নীতির অভিযোগের প্রসঙ্গও উঠে আসছে তাদের প্রচারে। এছাড়া ফেস্টুন, পোস্টারের মাধ্যমে চলছে প্রচার।

