suvendu adhikari at Taherpur
Bengal liberty Desk, ২০ ডিসেম্বর, কলকাতা: বাংলায় SIR এর আবহে কলকাতায় পৌঁছে তাহেরপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েও ফিরতে হয় প্রধানমন্ত্রীর কপ্টারকে। নিরাপত্তার কারণে সড়কপথেও প্রধানমন্ত্রীর সভাস্থলে যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করা হয়। সবশেষে আজ, শনিবার কলকাতা বিমানবন্দর থেকেই ভার্চুয়াল মাধ্যমে তাহেরপুরে সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)।
বাংলা জুড়ে তৃণমূল সরকারের অপশাসনের বিরূদ্ধে পশ্চিমবঙ্গে সুশাসন প্রতিষ্ঠার সংকল্পে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তাহেরপুরের এই ‘পরিবর্তন সংকল্প সভা’য় এ দিন সকাল থেকেই হাজির ছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার সহ বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বের অন্যান্যরা। নরেন্দ্র মোদির ভার্চুয়াল বক্তৃতার আগে এ দিন মঞ্চে বক্তৃতা করেন শুভেন্দু অধিকারী। ছাব্বিশের নির্বাচনে বাংলার জনগণকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে অপশাসন, কুশাসন, চুরি, দুর্নীতি, শোষণবাদ, তোষণবাদের এই সরকারকে ছুঁড়ে ফেলার ডাক দেন শুভেন্দু (Subhendu Adhikari)।
CAA নিয়ে শুভেন্দুর বক্তব্য (Subhendu Adhikari)
নাগরিকত্বের (Citizenship) ইস্যুতে মোদী-বিরোধী পোস্টার পড়েছিল এদিন। এই আবহেই তাঁদের উদ্দেশে আশ্বাসবার্তা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, ‘নিজেদের ধর্ম রক্ষার জন্য বাংলাদেশ থেকে যারা পশ্চিমবঙ্গ এসেছেন, ভারতবর্ষে এসেছেন। তাঁদের নাগরিকত্ব নিয়ে চিন্তার কোনও কারণ নেই। শরনার্থীদের গ্যারেন্টার মোদিজী। নাগরিকত্ব নিয়ে কাউকে ভাবতে হবে না। মোদিজী নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন সিএএ (CAA) এনেছেন। আর তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এর বিরোধিতা করেছিল। ‘ক্যা ক্যা, ছি ছি’ করেছিলেন মমতা। তাই কেউ যদি নাগরিকত্ব হারানোর ভয় পান, তাহলে তাঁর গ্যারেন্টার নরেন্দ্র মোদিই Subhendu Adhikari।’
বাংলাদেশ প্রসঙ্গ (Subhendu Adhikari)
এ দিনের সভা থেকে বাংলাদেশের ময়মনসিংহ শহরে হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা করার ঘটনার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে এক হিন্দু যুবককে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে আপনারা দেখেছেন। বাংলাদেশের পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। জামাতিদের হাত থেকে পশ্চিমবঙ্গকে রক্ষা করতে হবে।’
শুভেন্দু অধিকারী এ দিন তাঁর সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের সবশেষে বাংলাদেশের প্রসঙ্গ টেনে আসন্ন নির্বাচনে সমগ্র হিন্দু সমাজ ও সনাতনীদের এক হওয়ার আবেদন জানায়। ‘নো ভোট টু মমতা!’ ‘হরে কৃষ্ণ হরে হরে, মোদিজী ঘরে ঘরে’, স্লোগান তুলে ছাব্বিশের ভোটে পরিবর্তনের ডাক দেয় শুভেন্দু অধিকারী।
