US attacks ISIS camps in Nigeria
Bengal Liberty: বড়দিনের দিন নাইজেরিয়ার (Nigeria) উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে আইসিস (ISIS) জঙ্গিদের একটি ঘাঁটিতে বড়সড় হামলা চালায় আমেরিকা (America)। এই সামরিক অভিযানের পর তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প(Donald Trump) একে ‘বড়দিনের উপহার’(Christmas Gift) বলে উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, বিশ্বের যে প্রান্তেই খ্রিষ্টানদের উপর অত্যাচার চলবে, সেখানেই সন্ত্রাসবাদকে (Terrorism) গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে (US attacks)।
ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ (US attacks)
মার্কিন হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট ভাবে জানানো হয়নি। তবে হামলার পর ট্রাম্প ট্রুথ সোশালে একটি দীর্ঘ পোস্ট করে অভিযানের কথা প্রকাশ্যে আনেন। সেখানে তিনি লেখেন, নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে আইসিস জঙ্গিদের ঘাঁটিতে বড়সড় চালিয়েছি আমরা। তাঁর দাবি, এই জঙ্গিরাই দীর্ঘদিন ধরে নিরীহ খ্রিষ্টানদের উপর লাগাতার নির্যাতন চালাচ্ছিল।
পোস্টে ট্রাম্প আরও লেখেন, “আমি তাদের আগেই সতর্ক করেছিলাম—খ্রিষ্টানদের উপর অত্যাচার বন্ধ করো, নয়তো নরকে পচতে হবে।” তাঁর দাবি, নাইজেরিয়ায় যে ধরনের হামলা চালানো হয়েছে, তা একমাত্র আমেরিকার পক্ষেই সম্ভব (US attacks)।
দীর্ঘদিন ধরেই নাইজেরিয়ায় খ্রিষ্টানদের উপর অত্যাচারের অভিযোগ তুলে আসছে আমেরিকা। কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন বোকো হারাম এবং আইসিসের শাখা সংগঠনগুলি সে দেশে তাণ্ডব চালাচ্ছে বলে দাবি করে। চলতি বছরের অক্টোবর ও নভেম্বর মাসেও ট্রাম্প প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছিলেন যে নাইজেরিয়ায় বসবাসকারী খ্রিষ্টানরা অস্তিত্ব সংকটে ভুগছেন। সেই প্রেক্ষাপটেই বড়দিনে এই সামরিক অভিযান বলে মনে করছে কূটনৈতিক মহল।
সোশাল মিডিয়ায় দেওয়া বার্তায় নিজেকে বিশ্বের খ্রিষ্টানদের রক্ষাকর্তা হিসেবেও তুলে ধরেন ট্রাম্প। তিনি লেখেন, সন্ত্রাসকে কোনওভাবেই মাথা তুলতে দেবে না ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন আমেরিকা। পোস্টের শেষে তাঁর কটাক্ষপূর্ণ বার্তা, “সকলকে মেরি ক্রিসমাস। নিহত জঙ্গিদেরও শুভেচ্ছা জানাই। খ্রিষ্টানদের উপর অত্যাচার চলতে থাকলে জঙ্গিদের এভাবেই মরতে হবে।”
উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, আমেরিকার তরফে বারবার খ্রিষ্টান নির্যাতনের অভিযোগ তোলা হলেও নাইজেরিয়ার সরকার সেই অভিযোগ খারিজ করে এসেছে। তবুও বড়দিনের দিনে এই মার্কিন হামলা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক ও উত্তেজনা তৈরি করল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
