Hok Kolorob controversy between Raj-Rachana
Bengal liberty Desk, ৩ জানুয়ারি, কলকাতা: রাজ চক্রবর্তীর (Hok Kolorob controversy between Raj-Rachana) আসন্ন ছবি ‘হোক কলরব’ মুক্তির আগেই তৈরি করেছে তীব্র বিতর্ক। এই ছবিতে শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের (Saswata Chatterjee) অভিনীত এক পুলিশ অফিসারের নাম ক্ষুদিরাম চাকী। আর এই নাম ঘিরেই শুরু হয়েছে আলোচনা ও প্রশ্ন। অনেকেরই ধারণা, এই নাম ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের দুই বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকীর সঙ্গে ইচ্ছাকৃত সাযুজ্য রেখে রাখা হয়েছে (Hok Kolorob controversy between Raj-Rachana)।

তবে এই অভিযোগ সরাসরি খারিজ করেছেন পরিচালক রাজ চক্রবর্তী (Hok Kolorob controversy between Raj-Rachana)। তাঁর বক্তব্য, চরিত্রের নামের সঙ্গে কোনও স্বাধীনতা সংগ্রামীর যোগ নেই। বরং ছবিটিকে প্রোপাগান্ডা (Propaganda) হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে বলেই তাঁর দাবি। দর্শকদের এই ব্যাখ্যায় বিভ্রান্ত না হওয়ার আবেদনও জানান তিনি (Hok Kolorob controversy between Raj-Rachana)।
কী মতামত প্রকাশ করলেন রচনা (Hok Kolorob controversy between Raj-Rachana)?

এই প্রসঙ্গে নিজের মতামত জানিয়েছেন অভিনেত্রী ও সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (Hok Kolorob controversy between Raj-Rachana)। সিনেমার নামকরণ নিয়ে রাজের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, বর্তমান সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশে কোনও নাম কীভাবে ব্যাখ্যা হতে পারে, তা আগে থেকেই ভেবে নেওয়া জরুরি (Hok Kolorob controversy between Raj-Rachana)। দীর্ঘদিন ইন্ডাস্ট্রিতে থাকার পাশাপাশি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত একজন পরিচালক হিসেবে রাজের আরও সচেতন হওয়া উচিত ছিল বলেই মনে করেন তিনি (Hok Kolorob controversy between Raj-Rachana)।
রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (Hok Kolorob controversy between Raj-Rachana) নাম বিভ্রাটের বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন তাঁর বাবার নাম রবীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় (Hok Kolorob controversy between Raj-Rachana)। এই নাম নিয়েই নানা সময়ে ঠাট্টা ও ভুল ব্যাখ্যার মুখে পড়তে হয়েছে তাঁকে। সেই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সমাজে একই নামের বহু সাধারণ মানুষ রয়েছেন, কিন্তু বর্তমান সময়ে কিছু নাম নিয়ে অতিসংবেদনশীলতা ও ট্রোল সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে (Hok Kolorob controversy between Raj-Rachana)।

সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাবের কথাও উল্লেখ করেন রচনা (Hok Kolorob controversy between Raj-Rachana)। তাঁর মতে, এখন সামান্য বিষয় থেকেও বিতর্ক তৈরি হতে সময় লাগে না। তাই কোনও চরিত্রের নাম বা উপস্থাপনা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় আরও সতর্কতা প্রয়োজন (Hok Kolorob controversy between Raj-Rachana)।
এই বিতর্কের সঙ্গে রাজনৈতিক বাস্তবতার কথাও উঠে আসে তাঁর বক্তব্যে (Hok Kolorob controversy between Raj-Rachana)। তিনি অভিযোগ করেন, কেন্দ্রের শাসকদলের অনেক নেতাই বাংলার মনীষীদের ইতিহাস ও পরিচয় সম্পর্কে ওয়াকিবহাল নন। সেই প্রেক্ষিতে, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক সংবেদনশীলতা বজায় রাখা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে (Hok Kolorob controversy between Raj-Rachana)।
তবে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে আরও এই বড় প্রশ্ন শিল্প কি আদৌ স্বাধীন? এই প্রশ্নের উত্তরে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (Hok Kolorob controversy between Raj-Rachana) বলেন, বর্তমান সময়ে ব্যক্তিগত জীবন আর ব্যক্তিগত নেই। শিল্পী হিসেবে প্রতিটি কাজ, প্রতিটি অভিব্যক্তি বিচার ও ট্রোলের মুখে পড়ছে সকলেই। তাঁর মতে, এই বাস্তবতায় শিল্পের পূর্ণ স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক (Hok Kolorob controversy between Raj-Rachana)।
‘হোক কলরব’ প্রসঙ্গ তাই শুধুমাত্র একটি ছবির নাম ঘিরে সীমাবদ্ধ নয়। এই বিতর্ক নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে শিল্প, সমাজ ও রাজনীতির পারস্পরিক সম্পর্ক নিয়ে (Hok Kolorob controversy between Raj-Rachana)।
