Suvendu Letter to CEC on SIR
Bengal liberty Desk, ৫ জানুয়ারি, কলকাতা: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়াকে ঘিরে ফের নির্বাচন কমিশনের (Suvendu Letter to CEC on SIR) বিরুদ্ধে বিস্তর অভিযোগ জানিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। গত, শনিবার দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে (Suvendu Letter to CEC on SIR) পাঠানো সাড়ে তিন পাতার চিঠিতে তিনি দাবি করেন, এই প্রক্রিয়ায় অনিয়ম চললে রাজ্যে “অপূরণীয় ক্ষতি” হতে পারে এবং বহু বৈধ ভোটার ভোটাধিকার হারাতে পারেন। আজ, সোমবার সকালে মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা চিঠি দিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Letter to CEC on SIR)।
চিঠিতে কী লিখলেন শুভেন্দু (Suvendu Letter to CEC on SIR)?

নিজের এক্স হ্যান্ডলে সেই চিঠি পোস্ট করে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Letter to CEC on SIR) লিখেছেন, SIR প্রক্রিয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লাগাতার মিথ্যা বলে চলেছেন বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Letter to CEC on SIR)। তিনি বলেন, ‘চিঠিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে (Suvendu Letter to CEC on SIR) অনুরোধ করেছি, SIR বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলে লেখা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাঠানো সর্বশেষ চিঠি যেন খারিজ করে দেওয়া হয়। SIR নিয়ে তাঁর উদ্বেগগুলি সম্পূর্ণ বানানো কথা ছাড়া আর কিছুই নয়।’ শুভেন্দু (Suvendu Letter to CEC on SIR) আরও বলেন, ‘আসলে নির্বাচন কমিশনের SIR প্রক্রিয়া তৃণমূলের নোংরা রহস্যগুলির উপর আলো উন্মোচিত করছে। যার মধ্যে রয়েছে ভুয়ো ভোটার, মৃত ভোটারকে জীবিত করে দেখানো, অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেওয়া এবং ভোটে তাদের দিয়ে ফায়দা তোলা। এটা পরিস্কার হয়ে গিয়েছে। ২০২৬ সাল নিয়ে তিনি যে স্বপ্ন দেখেছেন, তার কফিনে পেরেক হল এই SIR, তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এটি নিয়ে এত প্যানিক করছেন, ঘাবড়ে গিয়েছেন। আসলে SIR হল ২০২৬ সালের তৃণমূলের সেই স্বপ্নের জন্য মৃত্যু সংকেত (Suvendu Letter to CEC on SIR)।”
মমতার অভিযোগ (Suvendu Letter to CEC on SIR)
চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রীর অন্যতম প্রধান অভিযোগ (Suvendu Letter to CEC on SIR), SIR প্রক্রিয়ায় রাজ্যভেদে আলাদা নিয়ম প্রয়োগ করা হচ্ছে। মমতার দাবি, বিহারে বংশতালিকাকে পরিচয়পত্র হিসেবে গ্রহণ করা হলেও পশ্চিমবঙ্গে (Suvendu Letter to CEC on SIR) তা মানা হচ্ছে না। এমনকি, এই সংক্রান্ত নির্দেশ হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি (Suvendu Letter to CEC on SIR)।
তবে নির্বাচন কমিশনের (Suvendu Letter to CEC on SIR) ঘনিষ্ঠ সূত্রের মতে, SIR একটি জাতীয় প্রক্রিয়া এবং তা সম্পূর্ণ আইনি কাঠামোর মধ্যেই পরিচালিত হচ্ছে। ভোটার তালিকা শুদ্ধ করার উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ, যাতে ভুয়ো বা অযোগ্য নাম বাদ দেওয়া যায় যা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করে (Suvendu Letter to CEC on SIR)।
মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Letter to CEC on SIR) আরও অভিযোগ করেন, কোনও প্রথাগত বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই নিত্যনতুন নির্দেশ জারি করা হচ্ছে এবং একাধিক ক্ষেত্রে নির্দেশ পরস্পরবিরোধী। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের (ERO) অনুমতি ছাড়াই আইটি সিস্টেম ব্যবহার করে ভোটারদের নাম বাদ দেওয়া হচ্ছে (Suvendu Letter to CEC on SIR)।
কিন্তু আইন বিশেষজ্ঞদের মতে (Suvendu Letter to CEC on SIR), নির্বাচন কমিশনের কাছে পর্যাপ্ত সাংবিধানিক ক্ষমতা রয়েছে ভোটার তালিকা সংশোধনের জন্য। জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করাই কমিশনের মূল দায়িত্ব (Suvendu Letter to CEC on SIR)।
শুনানি প্রক্রিয়ায় হেনস্থার অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Letter to CEC on SIR) বলেন, নির্দিষ্ট কারণ না জানিয়ে ভোটারদের ডাকা হচ্ছে, যা ভয় ও আতঙ্ক তৈরি করছে। নামের বানান বা বয়সের সামান্য গরমিলের ক্ষেত্রেও সমস্যায় পড়ছেন ভোটাররা এমন দাবিও করেন তিনি (Suvendu Letter to CEC on SIR)।
রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে (Suvendu Letter to CEC on SIR), নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করে চাপ তৈরির এ এক পরিচিত কৌশল। উল্লেখযোগ্যভাবে, এই নিয়ে তৃতীয়বার কমিশনকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Letter to CEC on SIR), এর আগে ২০ নভেম্বর ও ২ ডিসেম্বর একই ইস্যুতে আপত্তি জানিয়েছিলেন তিনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মত (Suvendu Letter to CEC on SIR), আসন্ন নির্বাচনের আগে ভোটার তালিকা শুদ্ধিকরণে কমিশনের সক্রিয় ভূমিকা নিয়েই মূলত অস্বস্তিতে রাজ্যের শাসকদল (Suvendu Letter to CEC on SIR)। পর্যবেক্ষকদের মতে ভুয়ো ভোটার ও বেআইনি নাম বাদ পড়লে নির্বাচনী সমীকরণ বদলাতে পারে। তাই এই আশঙ্কাতেই নোংরা রাজনীতি খেলছে শাসকদল (Suvendu Letter to CEC on SIR)।
