Suvendu on India-Bangladesh border fencing
Bengal Liberty Desk, ৩ ফেব্রুয়ারি, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গে ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তে ফেন্সিংয়ের জন্য জমি না দেওয়ায় জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন রাজ্য বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu on India-Bangladesh border fencing)। আজ, মঙ্গলবার সল্টলেকের রাজ্য বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রথমেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত (Suvendu on India-Bangladesh border fencing) সমস্যা নিয়ে কথা তুলে ধরেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, “ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য ২২১৬ কিলোমিটার, যার মধ্যে মেঘালয়, ত্রিপুরা, অসমসহ অন্যান্য রাজ্য অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে প্রায় ১৬০০ কিলোমিটার সীমান্ত একমাত্র পশ্চিমবঙ্গের (Suvendu on India-Bangladesh border fencing) সঙ্গে যুক্ত। অত্যন্ত গুরুতর ও উদ্বেগজনক বিষয় হল—অন্যান্য সব সীমান্তবর্তী রাজ্যে সীমান্ত ফেন্সিং ও নিরাপত্তার কাজ প্রায় ১০০ শতাংশ সম্পন্ন হলেও পশ্চিমবঙ্গে এই কাজ আজও অসম্পূর্ণ রয়ে গিয়েছে (Suvendu on India-Bangladesh border fencing)।”

বিরোধী দলনেতার (Suvendu on India-Bangladesh border fencing) কথায়, “প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং বর্তমান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিশেষ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গ সরকার সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়নি (Suvendu on India-Bangladesh border fencing)। যখনই অবৈধ অনুপ্রবেশ, ভুয়ো নথি বা সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত ঘটনা সামনে আসে, তখন রাজ্য সরকার ও তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা বারবার সীমান্তরক্ষী বাহিনী (BSF)-র ওপর দোষ চাপান। এটি দুর্ভাগ্যজনক ও ভিত্তিহীন (Suvendu on India-Bangladesh border fencing)।”
বাস্তবতার উহাহরণ টেনে শুভেন্দু (Suvendu on India-Bangladesh border fencing) বলেন, “সীমান্তে ফেন্সিংয়ের জন্য জমি সরবরাহ করা রাজ্য সরকারের সাংবিধানিক ও আইনানুগ দায়িত্ব (Suvendu on India-Bangladesh border fencing)। বর্তমানে প্রচলিত আইন অনুযায়ী জেলা প্রশাসনকে বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হয় এবং রাজ্য সরকারকেই জমির ব্যবস্থা করতে হয়। কেন্দ্র সরকার এই উদ্দেশ্যে কেবল প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা প্রদান করে (Suvendu on India-Bangladesh border fencing)।”

সংসদের প্রশ্ন তুলে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu on India-Bangladesh border fencing) বলেন, “সংসদে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদত্ত উত্তরে স্পষ্ট করা হয়েছে যে দেশের অন্যান্য সব রাজ্যে সীমান্ত ফেন্সিং ও নিরাপত্তার কাজ সম্পন্ন হলেও পশ্চিমবঙ্গে তা সম্ভব হয়নি, কারণ রাজ্য সরকার জমি দেয়নি (Suvendu on India-Bangladesh border fencing)।”
এরপরেই হাই কোর্টের নির্দেশ মনে করিয়ে বিরোধী দলনেতার (Suvendu on India-Bangladesh border fencing) বক্তব্য, “এই গুরুতর বিষয়ে কলকাতা হাই কোর্ট হস্তক্ষেপ করে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে যে আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে সীমান্ত ফেন্সিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় জমির ব্যবস্থা করতে হবে।” বিরোধী দলনেতার (Suvendu on India-Bangladesh border fencing) আরও দাবি, এই ইস্যুতে ভারত সরকার মোট ৮ বার রাজ্য সরকারের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ করেছে (Suvendu on India-Bangladesh border fencing)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব ৫ বার স্বয়ং পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন। পূর্বাঞ্চলীয় আঞ্চলিক পরিষদের বৈঠকে বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশাসহ অন্যান্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Suvendu on India-Bangladesh border fencing) ব্যক্তিগতভাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে সহযোগিতার অনুরোধ করেছিলেন। তবুও রাজ্য সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে জমি দেয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি (Suvendu on India-Bangladesh border fencing)।

শুভেন্দুর মন্তব্য, ক্রমশ আশঙ্কা বাড়ছে যে এই ইচ্ছাকৃত বিলম্ব অবৈধ অনুপ্রবেশ ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের (Suvendu on India-Bangladesh border fencing) রক্ষা করার উদ্দেশ্যেই করা হচ্ছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ভয়াবহ হুমকি। এমনকি সম্প্রতি ব্যারাকপুরে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্পষ্টভাবে বলেছেন যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বিএসএফকে ফেন্সিংয়ের (Suvendu on India-Bangladesh border fencing) জন্য জমি দিচ্ছে না। তাই রাজ্য সরকারের কাছে অবিলম্বে রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজনীয় জমি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu on India-Bangladesh border fencing)।
