Future of Human Space Travel
Bengal Liberty, পৌলমী গোস্বামী, কলকাতা:
মানব সভ্যতাকে বহু-গ্রহে(Future of Human Space Travel) ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি সামনে আনছে এলন মাস্কের SpaceX এর । রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী এক দশকের মধ্যেই চাঁদের মাটিতে স্বয়ংসম্পূর্ণ শহর তৈরির পরিকল্পনায় জোর দিচ্ছে এই সংস্থা।
চাঁদে শহর তৈরীর করার পরিকল্পনা (Future of Human Space Travel)
এলন মাস্ক সাম্প্রতিক বক্তব্যে ইঙ্গিত দিয়েছেন যে স্পেসএক্স(Future of Human Space Travel) এখন শুধুমাত্র মঙ্গল গ্রহ নয়, বরং চাঁদেও দীর্ঘমেয়াদি মানুষের বসবাসের পরিকল্পনাকে গুরুত্ব দিচ্ছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, বিনিয়োগকারীদের কাছে বলা হয়েছে চাঁদে একটি self-sustaining (স্বনির্ভর) সিটি বা বেস তৈরি করা ভবিষ্যৎ মহাকাশ পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হতে পারে। কারণ চাঁদ পৃথিবীর তুলনায় অনেক কাছাকাছি হওয়ায় সেখানে প্রযুক্তি পরীক্ষা করা, রিসোর্স ব্যবহার শেখা এবং মানুষের দীর্ঘ সময় মহাকাশে থাকার অভিজ্ঞতা তৈরি করা সহজ হবে।
এছাড়া পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, প্রথম দিকে মানবহীন মিশন পাঠিয়ে অবকাঠামো তৈরি, পরে ধীরে ধীরে মানুষ পাঠানোর রোডম্যাপ তৈরি করা হতে পারে। এই মিশনগুলোতে Starship ব্যবহার করার লক্ষ্য রয়েছে। এমনকি ২০২৭ সালের মার্চ নাগাদ একটি মানববিহীন চন্দ্র অবতরণের লক্ষ্যও ধরা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

কেন আগে চাঁদ, পরে মঙ্গল? (Future of Human Space Travel)
বিশেষজ্ঞদের মতে, চাঁদ প্রযুক্তিগতভাবে তুলনামূলক সহজ লক্ষ্য। চাঁদে পৌঁছাতে সময় কম লাগে এবং নিয়মিত মিশন চালানো সম্ভব। অন্যদিকে মঙ্গলে যেতে সময়, খরচ ও প্রযুক্তিগত ঝুঁকি অনেক বেশি তাই SpaceX-এর দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অবশ্যই মঙ্গল গ্রহে বসতি তৈরি করা। তবে বাস্তবিক দিক থেকে চাঁদকে “প্রথম ধাপ” হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ভবিষ্যতের লক্ষ্য কী? (Future of Human Space Travel)
এলন মাস্ক বহুবার বলেছেন, মানবজাতিকে বহু-গ্রহে বসবাসকারী প্রজাতি বানানোই তাঁর দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য। চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি তৈরি হলে তা ভবিষ্যতে মঙ্গল বা আরও দূরের মহাকাশ অভিযানের জন্য বড় ধাপ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
যদিও “চাঁদে শহর” পরিকল্পনা এখনও প্রাথমিক পর্যায়ের ধারণা হিসেবেই দেখা হচ্ছে, তবুও মহাকাশ প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতির ফলে আগামী দশকে বড় অগ্রগতি সম্ভব বলে মনে করছেন অনেক বিশেষজ্ঞ। এবং চাঁদে স্থায়ী বসতি তৈরির পরিকল্পনা সফল হলে, তা শুধু প্রযুক্তিগত নয় মানব সভ্যতার ভবিষ্যৎ দিক নির্ধারণেও বড় ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করছেন মহাকাশ গবেষকরা।
