Supreme court on SIR
Bengal liberty, Kolkata:
এসআইআর প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা বরদাস্ত নয়। সমস্ত রাজ্যকে স্পষ্ট বার্তা সুপ্রিম কোর্টের (Supreme court on SIR)। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে ছিল এসআইআর শুনানি। সেই শুনানিতেই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ যে কোনও নির্দেশের প্রয়োজন হলে আমরা দেব। কিন্তু এসআইআর প্রক্রিয়ায় কোনও বাধা বরদাস্ত নয়’।
মাইক্রো অবজারভার নিয়ে শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ইআরও রাই। নির্বাচন কমিশন দরকারে ইআরও ও এইআরও দের পরিবর্তন করতে পারে। মাইক্রো অবজার্ভার শুধু সাহায্য করতে পারে। তবে রাজ্যের দেওয়া অফিসারদের দুদিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া যাবে বলে কমিশন জানায় আদালতে।

এসআইআর শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল(Supreme court on SIR)
এসআইআর শুনানিতে সুপ্রিমে সওয়াল করেন মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী শ্যাম দিওয়ান। তিনি আদালতে জানান, শুধুমাত্র নামের ভুলের জন্য শুনানিতে তলব। এ প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘কিন্তু গত শুনানিতে বলা হয়েছে রাজ্য কর্মী না দেওয়ায় কমিশন বাইরে থেকে লোক নিয়োগ করেছে।’
আদালতে মুখ্যমন্ত্রীর আইনজীবী বলেন, “শুধুমাত্র নামের সামান্য ভুলের জন্য অনেককে শুনানিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে।” তাঁর কথার প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, “গত শুনানিতে বলা হয়েছে রাজ্য কর্মী না দেওয়ায় কমিশন বাইরে থেকে লোক নিয়োগ করতে বাধ্য হয়েছে।”
পাল্টা দিওয়ানের জানায়, ৮,৫০০ কর্মী দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে। শনিবারই ইমেলের মাধ্যমে তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কমিশনকে।
কিন্তু ৮,৫০০ জনের নামের তালিকা আছে কি? আদালতের প্রশ্ন, কর্মী দিয়েছেন। কিন্তু নামের তালিকা আছে? বাংলা জানে এমন কর্মী প্রয়োজন।

তৃণমূল গুন্ডাদের বিপদ বাড়ল। কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে সমীক্ষা শুরু কমিশনের। ভোটে ২ লক্ষ কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিস্তারিত দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। Link: https://t.co/CzB6X9Z3c2@ECISVEEP @SpokespersonECI @AITCofficial @BJP4India #Election2026 #WestBengalElections #ElectionCommission pic.twitter.com/wBGs6wVsa0
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) February 9, 2026
নামের তালিকা ঘিরে চলে সওয়াল জবাব(Supreme court on SIR)
আদালতের অন্দরে নামের তালিকা ঘিরে চলে সওয়াল জবাব। আইনজীবী দিওয়ান বলেন, ‘ হ্যাঁ। জেলাভিত্তিক অনুসারে তথ্য দেওয়া হয়েছে। এই কর্মীরা গ্রুপ বি আধিকারিক। তবে এত জনের নামের তালিকা দিতে উপযুক্ত সময় প্রয়োজন।
কমিশনের আইনজীবীর দাবি, জেলাভিত্তিক তথ্য তাঁদের কাছে এখনও আসেননি। অবশেষে আদালত জানায়, এটা নিয়ে কোনো বিতর্ক চাই না। নামের তালিকা না দিলে কর্মীরা ডিইও এর কাছে রিপার্ট করবে কিভাবে? নামের তালিকা নিয়ে মুখ্যসচিবকে ডেকে পাঠাতে হবে।
আদালতে মাইক্রো অবজারভার প্রসঙ্গে আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভির সওয়াল করেন, পিএসইউ থেকে নেওয়া কর্মীদের নেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে অনেকেই গ্রুপ ডি, কাস্টমার এসিস্ট্যান্ট পদে রয়েছেন। এদের দিয়ে মাইক্রো অবজারভারের কাজ আদৌ সম্ভব?

