Blame between Trump and Netanyahu
Bengal Liberty, ২০ মার্চ ২০২৬ :
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে(Blame between Trump and Netanyahu) রোজ রোজ নতুন সমীকরণ উঠে আসছে। কখনও বলা হচ্ছে ৪ থেকে ৫ সপ্তাহের মধ্যেই যুদ্ধের নিষ্পত্তি হবে, আবার বলা হচ্ছে ইরান বেশিদিন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে না। কিন্তু সবাইকে ভুল প্রমাণ করে দিয়ে ইরান স্বমহিমায় আমেরিকা-ইসরায়েলের মোকাবিলা করছে।
তারই মধ্যে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর এক আজব দাবিকে ঘিরে শোরগোল পড়ে গেছে।
নেতানিয়াহুর বক্তব্য অনুযায়ী-
“আমেরিকা কোনো দুর্বল দেশ নয় যে আমাদের কথা শুনেই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে। আমেরিকা ও মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প খুব শক্তিশালী ও তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ। কারোর কথায় তিনি চালিত হন না। নিজেদের ইচ্ছাতেই যুদ্ধে সামিল হয়েছেন এবং এই যুদ্ধ খুব তাড়াতাড়ি সমাপ্তি হবে।”

প্রশ্ন আছে উত্তর নেই (Blame between Trump and Netanyahu):
বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দাবি অনুযায়ী ট্রাম্প নিজের থেকেই যুদ্ধে নেমেছেন। তবে আমেরিকার সাধারণ নাগরিকদের ভিন্ন মতামত— তাদের মতে,
“ট্রাম্প আরেকটি ভিয়েতনাম যুদ্ধের সূচনা করলেন। কোনো কারণ ছাড়াই আমাদের দেশের সৈনিকরা এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছেন। অবিলম্বে এই যুদ্ধ বন্ধ করা উচিত। দেশের সৈনিকরা যাতে নিরাপদে বাড়ি ফিরে আসতে পারে- এইটাই সমস্ত আমেরিকাবাসীর প্রার্থনা।”
পেট্রো-ডলারকে বিশ্বমঞ্চে ছড়িয়ে দিতেই কি ট্রাম্পের এই যুদ্ধে জড়ানো? এর আগেও সাদ্দাম হোসেন, মুয়াম্মর গাদ্দাফির মতো স্বৈরাচারী নেতাদের বিরুদ্ধে মানবতার আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে অভিযান চালানো হয়েছিল। এমনকি ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধেও একই ধরনের পদক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে পেট্রো-ডলারে লেনদেন হলে আমেরিকার মুনাফা বৃদ্ধি পাই এমনটাই মত বিশ্লেষকদের একাংশের। রাশিয়া নিজের মুদ্রা তে তেল কেনে তাতেও সমস্যায় ট্রাম্প কিন্তু ট্রাম্পের নির্দেশ বুড়োআঙ্গুল দেখিয়ে অনেক রাষ্ট্র সরাসরি রাশিয়ার থেকে তেলের আমদানি করছে তার মধ্যে ভারত ও সামিল।

https://t.co/g6mfuZ9AmQ https://t.co/4TTUHXvo1t
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) March 19, 2026
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের দাবি (Blame between Trump and Netanyahu),
এই মুহূর্তে যুদ্ধের যে পরিস্থিতি, তাতে ইরান কোনোভাবেই হার মানবে না। সেই নিয়েই গভীর চিন্তায় রয়েছেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের ভাবা উচিত ছিল – দেশটি লিবিয়া কিংবা ইরাক নয়।
তার সঙ্গে হরমুজ প্রণালী সব দেশের জন্য খুলে দিলেও আমেরিকা ও ইসরায়েলের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সেই কারণেই কি যুদ্ধের সমস্ত কলঙ্ক ট্রাম্পের উপর চাপিয়ে দিচ্ছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী? উত্তরের অপেক্ষায় সারা বিশ্ব।
আরও পড়ুন :
Eid Celebration in War-Torn: যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপে ইদের হাসি, মৃত্যুভয়ের মাঝেও জীবনের জয়গান
