Dhurandhar Controversy
Bengal Liberty, Kolkata:
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল একটি ছবি ঘিরে নতুন করে বিতর্কে জড়াল বলিউড। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, পাগড়ি ও কড়া পরিহিত অবস্থায় এক চরিত্র সিগারেট টানছেন যা শিখ সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত হেনেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ছবি ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন বহু মানুষ। তবে বিষয়টি নিয়ে সরাসরি প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন পরিচাল আদিত্য ধর।

ভাইরাল ছবি, বাড়ছে বিতর্ক Dhurandhar Controversy
ভাইরাল হওয়া ওই ফ্রেমে দেখা যায়, রণবীর সিং অভিনীত জসকিরত সিং রঙ্গী চরিত্রটি পাগড়ি পরে ধূমপান করছেন। এই দৃশ্য ঘিরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সমালোচনা। অনেকেই মনে করেন, এটি শিখ ধর্মীয় রীতিনীতির পরিপন্থী এবং অপমানজনক। শুধু সাধারণ দর্শকই নন, বিভিন্ন সংগঠনের তরফেও আপত্তি তোলা হয়েছে। বিশেষ করে ধর্মীয় প্রতীক ও আচার-অনুষ্ঠানের সঙ্গে এমন দৃশ্য জুড়ে দেওয়াকে ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে।

পরিচালকের স্পষ্ট জবাব Dhurandhar Controversy
বিতর্ক বাড়তেই সামনে আসেন পরিচালক আদিত্য ধর। তিনি স্পষ্ট জানান, এই ভাইরাল ছবি বাস্তব নয় এবং তাঁর ছবি Dhurandhar: The Revenge-এর অংশও নয়। তাঁর দাবি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর সাহায্যে এই ভুয়ো ছবি তৈরি করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।
পরিচালক আরও বলেন, তিনি শিখ সম্প্রদায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল এবং ছবিতে ধর্মীয় বিষয়গুলি যথেষ্ট সংবেদনশীলতার সঙ্গে উপস্থাপন করা হয়েছে। তাই দর্শকদের এই ধরনের বিভ্রান্তিকর কনটেন্টে বিশ্বাস না করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
আগেও বিতর্কে একই ছবি Dhurandhar Controversy
উল্লেখ্য, এই ছবির একটি দৃশ্য নিয়েও এর আগেই বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেখানে R. Madhavan-এর একটি চরিত্রকে ধূমপান করতে দেখা যায়, যখন অন্য চরিত্র গুরু গ্রন্থ সাহেবের শ্লোক পাঠ করছিল। এই দৃশ্য ঘিরেও শিখ সংগঠনগুলির তরফে আপত্তি ওঠে।
তবে অভিনেতা মাধবন জানিয়েছেন, শ্লোক পাঠের সময় তাঁর হাতে সিগারেট ছিল না এবং দৃশ্যটি ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
সোশ্যাল মিডিয়া ও এআই-এর প্রভাব Dhurandhar Controversy
এই ঘটনাকে ঘিরে আবারও সামনে এল সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো কনটেন্টের বিপদ। এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি ছবি বা ভিডিও কত দ্রুত জনমত প্রভাবিত করতে পারে, তারই উদাহরণ এই বিতর্ক। সব মিলিয়ে, ভাইরাল ছবি ঘিরে তৈরি হওয়া এই বিতর্ক দেখিয়ে দিল ডিজিটাল যুগে ভুয়ো কনটেন্ট কত দ্রুত বিভ্রান্তি ছড়াতে পারে। পরিচালক আদিত্য ধরের স্পষ্ট বার্তা, ছবির আসল কনটেন্ট না দেখে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছনো উচিত নয়।
এখন প্রশ্ন একটাই বিতর্কের ধোঁয়াশা কাটিয়ে ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ কি দর্শকদের আস্থা ফিরে পাবে, নাকি এই বিতর্ক ছাপিয়ে যাবে সিনেমার আসল গল্পের ঊর্ধ্বে?
