TMC Internal Conflict
Bengal Liberty, ৩০ মার্চ :
প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে (TMC Internal Conflict) দানা বাঁধা অসন্তোষ ক্রমশ প্রকাশ্যে আসছে। ঠিক সেই সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সরাসরি ময়দানে নামলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সোমবার নারায়ণগড়ের জনসভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট ও কড়া ভাষায় বার্তা দিলেন বিক্ষুব্ধ বিদায়ী বিধায়ক ও নেতাদের। দলীয় শৃঙ্খলার বাইরে গিয়ে কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না, জানিয়ে দিলেন দলের সর্বোচ্চ নেতৃত্ব (TMC Internal Conflict)। পাশাপশি দিলেন ভারসাম্য বজায় রাখতে তিনি বিক্ষুব্ধ নেতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, টিকিট না পাওয়া মানেই দলের বিরোধিতা করা নয়।

কী বার্তা দিলেন মমতা? (TMC Internal Conflict)
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় বড়সড় রদবদল করা হয়। প্রায় ৭৪ জন বিদায়ী বিধায়ক এবং ৪ জন মন্ত্রীকে এবার টিকিট দেয়নি দল। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই দলের একাংশে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। কেউ রাজনীতি ছাড়ার ইঙ্গিত দেন, কেউ আবার প্রকাশ্যে অসন্তোষ উগরে দেন।
এই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে নারায়ণগড়ের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দেন, “একবার টিকিট পেয়েছি বলে পরের বারও পাব এমন কোনো কথা নেই। টিকিট পাইনি বলে বিরোধিতা করব, এটা মানুষ পছন্দ করে না। আমি কাউকে অসম্মান করিনি।” তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, মানুষের সঙ্গে সংযোগ বজায় রাখা নেতাদেরই দল মূল্যায়ন করবে। অর্থাৎ ব্যক্তিগত ক্ষোভ নয়, সংগঠনের স্বার্থই যে সর্বাগ্রে, সেই বার্তাই তুলে ধরেন দলনেত্রী।

মমতার আগে একই বার্তা দেন অভিষেক (TMC Internal Conflict)
উল্লেখ্য, এর আগেই নওদার সভা থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিক্ষুব্ধ নেতাদের উদ্দেশ্যে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তিনি জানান, দলকে চাপে রাখতে ইচ্ছাকৃতভাবে বিশৃঙ্খলা তৈরি করা হলে কড়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Mamata Banerjee: নিজেই শাড়ি পরে ফেললেন মমতা@bengalliberty @SuvenduWB @BJP4Bengal @MamataOfficial @AITCofficial #bengallibety #suvenduadhikari #bjpwestbengal #mamatabanarjee #tmcwestbengal #westbengal #westbengalnews pic.twitter.com/T8662p6GVk
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) March 30, 2026
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যেও সেই একই সুর প্রতিফলিত হল। স্পষ্ট করে দেওয়া হয়, নির্বাচনের আগে কোনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বা অন্তর্ঘাত বরদাস্ত করা হবে না। বরং ঐক্যবদ্ধভাবে মানুষের পাশে থাকাই দলের মূল লক্ষ্য।
