US-Iran Conflict 2026
Bengal Liberty, ৩০ মার্চ ২০২৬:
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই নতুন এক দাবিতে বিশ্বজুড়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প (US-Iran Conflict 2026) । তাঁর দাবি, “তেহেরান আমাদের দেওয়া ১৫ দফা শর্তের বেশিরভাগই মেনে নিয়েছে।” একইসঙ্গে ইরান শীঘ্রই আমেরিকাকে বড় কোনো ‘উপহার’ দিতে চলেছে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

যুদ্ধের মধ্যে চরম নাটকীয়তা (US-Iran Conflict 2026)
আমেরিকা-ইরান সংঘাতে প্রতিদিনই নতুন নতুন মোড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কয়েকদিন আগে ৫ দিনের যুদ্ধবিরতির গুঞ্জন শোনা গেলেও, পরক্ষণেই ইরানের সরকার ট্রাম্পের দাবিকে সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে। এমনকি ট্রাম্পকে ‘মিথ্যাবাদী’ আখ্যা দিয়ে তেহেরান কড়া আক্রমণও শানিয়েছে।

নাছোড়বান্দা ট্রাম্প ও ‘স্ট্রেইট অফ ট্রাম্প’ (US-Iran Conflict 2026)
শুরুতে ইরান ১৫ দফা দাবি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছিল। সেই সময় ট্রাম্প রসিকতা করে ‘স্ট্রেইট অফ হরমুজ’-কে (হরমুজ প্রণালী) নিজের নামে অর্থাৎ “স্ট্রেইট অফ ট্রাম্প” বলে অভিহিত করেছিলেন। যদিও সেই সময় আন্তর্জাতিক মহলে এই মন্তব্য বিশেষ গুরুত্ব পায়নি। কিন্তু এখন ইরানের জ্বালানি ব্যবসা নিয়ে ট্রাম্পের নতুন দাবি ঘিরে ফের তীব্র আলোচনা শুরু হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, তেহেরান নাকি আমেরিকার সঙ্গে পুনরায় জ্বালানি ব্যবসা শুরু করতে আগ্রহী। তবে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।

Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে মনোনয়নপত্র জমা বিরোধী দলনেতার @bengalliberty @SuvenduWB @BJP4Bengal @MamataOfficial @AITCofficial #bengalliberty #suvenduadhikari #bjpwestbengal #westbengalelection2026 #westbengalpolitics #westbengalnews #westbengal #nandigram pic.twitter.com/PNSLxkFgcc
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) March 30, 2026
চাপে থাকা ট্রাম্পের কৌশল? (US-Iran Conflict 2026)
বিশ্লেষকদের মতে, ঘরে-বাইরে কোণঠাসা ট্রাম্প নিজেকে প্রাসঙ্গিক রাখতে এবং শিরোনামে থাকতেই এই ধরণের মন্তব্য করছেন। প্রশ্ন উঠছে—ইরান যদি সত্যিই শর্ত মেনে নেয়, তবে কেন স্থলপথে সেনা মোতায়েন বাড়ানো হচ্ছে? মূলত হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশাধিকার ব্যাহত হওয়ায় জ্বালানি তেলের বাজারে চাপে পড়েছে আমেরিকা। সেই চাপ সামাল দিতেই ট্রাম্প একের পর এক বিতর্কিত দাবি করছেন বলে মনে করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, খোদ আমেরিকাতেই নিউইয়র্ক থেকে ওয়াশিংটন ডিসি পর্যন্ত ‘নো কিংস মুভমেন্ট’ (No Kings Movement) তীব্র আকার ধারণ করেছে। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক—এই দুই চাপের মুখে দাঁড়িয়ে ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়, সেদিকেই তাকিয়ে আছে গোটা বিশ্ব।
আরও পড়ুন:
No Kings movement: ‘No Kings’ আন্দোলনে জেরবার ট্রাম্প!
