Golden Chariot
Bengal Liberty, কলকাতা:
ভারতীয় রেলের মুকুটে সগৌরবে যুক্ত হতে চলেছে আরও একটি নয়া পালক(Golden Chariot)। রেলের অন্যতম গৌরব ও আন্তর্জাতিক স্তরে সমাদৃত বিলাসবহুল ট্রেন ‘গোল্ডেন চ্যারিয়ট’ কে সম্পূর্ণ নতুন রূপে ও আধুনিক সাজে ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় ভারতীয় রেল। মূলত ২০২৬-২০২৭, আইআরসিটিসি এই মেগা পুর্নবিন্যাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ট্রেনটিতে এবার যুক্ত হচ্ছে ‘মডার্ন লাক্সারি’ বা আধুনিক বিলাসিতার সব রকম সুযোগ-সুবিধা।

চলন্ত রাজপ্রাসাদ নামক ট্রেনের আধুনিকীকরণ (Golden Chariot)
গোল্ডেন চ্যারিয়টের প্রতিটি কেবিনকে আগের চেয়ে অনেক বেশি আকর্ষণীয় করে তোলার চেষ্টায় ভারতীয় রেল। বদলে ফেলা হচ্ছে কেবিনের ভেতরের ডেকরেশন, বাথরুম এবং শোয়ার জায়গা। যাত্রীদের বিনোদনের জন্য প্রতিটি কেবিনে থাকছে স্মার্ট টিভি ও হাই-স্পিড ওয়াইফাই পরিষেবা। পাশাপাশি যাত্রীদেরা পাবে নিরাপত্তার বিবিধ সুবিধা যেমন পুরো ট্রেনে সিসিটিভি ক্যামেরা, অত্যাধুনিক ফায়ার অ্যালার্ম এবং সার্বক্ষণিক প্রশিক্ষিত স্টাফ মোতায়েন ইত্যাদি।

ট্রেনের অন্দরমহল ও সুযোগ-সুবিধা:
মোট ৮০ জন যাত্রীর সফরের জন্য থাকছে ৪০টি এক্সক্লুসিভ কেবিন। যার মধ্যে ১৩টি ডাবল বেড কেবিন, ২৬টি টুইন বেড কেবিন এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য ১টি বিশেষ কেবিন সংরক্ষিত থাকছে।রাজকীয় স্বাদের অভিজ্ঞতা দিতে ট্রেনে থাকছে ২টি আন্তর্জাতিক মানের ডাইনিং রেস্তোরাঁ এবং ১টি চমৎকার লাউঞ্জ বার, ট্রেনের ভেতরে থাকছে ‘আরোগ্য স্পা’ এবং একটি আধুনিক জিম।

কোন কোন রুটে চলবে এই ট্রেন
মূলত তিনটি রুটে যাত্রা করবে এই ট্রেন –
প্রাইড অব কর্ণাটক (৫ রাত/৬ দিন): বেঙ্গালুরু – বান্দীপুর – মহীশূর – হালেবিডু – চিকমাগালুর – হাম্পি – গোয়া – বেঙ্গালুরু।
জুয়েলস অব সাউথ (৫ রাত/৬ দিন): বেঙ্গালুরু – মহীশূর – কাঞ্চিপুরাম – মহাবলীপুরম – তাঞ্জাভুর – চেট্টিনাদ – কোচি – চের্থালা – বেঙ্গালুরু।
গ্লিম্পসেস অব কর্ণাটক (৩ রাত/৪ দিন): বেঙ্গালুরু – বান্দীপুর – মহীশূর – হাম্পি – বেঙ্গালুরু।

অফিসিয়াল দিনক্ষণ
২৪ অক্টোবর, ২০২৬ – প্রাইড অফ কর্ণাটক
৩১ অক্টোবর, ২০২৬ – গ্লিম্পসেস অফ কর্ণাটক
১৯ ডিসেম্বর, ২০২৬ – গ্লিম্পসেস অফ কর্ণাটক
২৬ ডিসেম্বর, ২০২৬ – প্রাইড অফ কর্ণাটক
২ জানুয়ারি, ২০২৭ – প্রাইড অফ কর্ণাটক
৩০ জানুয়ারি, ২০২৭ – প্রাইড অফ কর্ণাটক
৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৭ – গ্লিম্পসেস অফ কর্ণাটক
২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৭ – প্রাইড অফ কর্ণাটক
১৩ মার্চ, ২০২৭ – প্রাইড অফ কর্ণাটক

বাড়তি খরচ
এই বিলাসবহুল ভ্রমণের সবচেয়ে বড় আকর্ষণীয় বিষয় হলো ‘অল-ইনক্লুসিভ’ প্যাকেজ। অর্থাৎ, টিকিটের খরচের মধ্যেই থাকছে ট্রেনের ভেতরের সমস্ত রাজকীয় খাওয়া-দাওয়া, নির্দিষ্ট কিছু পানীয়, অভিজ্ঞ গাইডসহ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গাড়িতে দর্শনীয় স্থান পরিভ্রমণ, সমস্ত মিউজিয়াম ও মন্দিরের প্রবেশ মূল্য এবং ট্রেনের বাইরে নির্দিষ্ট কিছু নামী রেস্তোরাঁয় মধ্যাহ্নভোজ বা নৈশভোজের খরচ।

