Suvendu Adhikari
Bengal Liberty: সময়টা দুপুর ৩টে। পুরসভায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আসার সময় হয়ে গিয়েছে। গেটের মুখে দাঁড়িয়ে কাজরি বন্দ্যোপাধ্যায়, জুঁই বিশ্বাস, দেবাশিস কুমার, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, মালা রায়। উদ্দেশ্য একটাই, শুভেন্দু অধিকারীকে মুখ দেখানো!

মুখ্যমন্ত্রীর প্রবেশ KMC-তে (Suvendu Adhikari)
কিছুক্ষণের মধ্যে শুভেন্দু অধিকারী পুরসভায় প্রবেশ করলেন। তাঁকে দেখেই একগাল হেসে হাত ধরে ফেললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের সদস্য কাজরি বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশে দাঁড়িয়ে স্বরূপের স্ত্রী জুঁই বিশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীকে প্রণাম করলেন। দেবাশিস কুমার অনেকক্ষণ ধরে মুখ্যমন্ত্রীর পাত্তা পাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। পরে ইশারাতে বললেন, ‘ফোন করব।’
মঞ্চের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। বাঁ-দিকে দাঁড়িয়ে রয়েছেন অরূপ বিশ্বাসের ঘনিষ্ঠ অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু অধিকারীকে দেখে একগাল হেসে দিলেন। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী তাকালেন না। সোজা হেঁটে গেলেন স্টেজের দিকে। মুখেই দাঁড়িয়েছিলেন প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তাঁকে দেখে শুভেন্দু অধিকারী বললেন, ‘আপনি প্রাক্তন মেয়র। মঞ্চে আসুন।’ একই প্রতিক্রিয়া ছিল মালা রায়ের ক্ষেত্রেও। ফলে, পুরসভার অন্দরে মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে স্টেজে বসতে দেখা যায় ফিরহাদ হাকিম, মালা রায়, সন্দ্বীপন সাহা-সহ প্রমুখ তৃণমূল শিবিরের নেতৃত্বকে।

কাজরির প্রতি মমতার গোঁসা (Suvendu Adhikari)
দুপুর ৩টে-র সময় একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে ঘটনার লাইভ সম্প্রচার দেখছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর, ঘনিষ্ঠ মহলে মমতা বলেন, ‘ভয়ঙ্কর বিশ্বাসঘাতক।’ ইতিমধ্যে, মমতার থেকে পরিবারের একাংশ দূরত্ব বাড়িয়ে দিয়েছেন। যার মধ্যে বাবুন এবং কার্তিক আছেন-ই। এবার সেই তালিকায় নাম উঠে এলো কাজরি বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

রাজনৈতিক সৌজন্য (Suvendu Adhikari)
তৃণমূল আমলে দেখা গিয়েছে, কোনও সরকারি মঞ্চে বিরোধীরা আমন্ত্রিত হতেন না। আজ কার্যত সেই অরাজনৈতিক রীতি ভেঙে গেল কলকাতা পুরসভার অন্দরে।


