BGBS
Bengal Liberty
সেপ্টেম্বর মাসেই রাজ্যে(BGBS) প্রথম শিল্প সম্মেলনের আয়োজন করতে চলেছে বিজেপি সরকার। প্রাক্তন সরকারের আমলে শিল্প সম্মেলন বাবদ কত টাকা খরচ হয়েছিল বা কত বিনিয়োগ হয়েছিল, তা নিয়ে একাধিক বিতর্ক সৃষ্টি হয়।

বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য – একই মঞ্চ থেকে এমন অন্তত দুই বা তিনটি বড়সড় ও স্থায়ী বিনিয়োগের কথা ঘোষণা করা, আগামী এক বছরের মধ্যেই যারা বাংলায় প্রকল্পের কাজ শুরু করবে। শিল্পভিত্তিক পরিবেশ গড়ে তোলা, বিনিয়োগ বাড়ানো এবং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতা দূর করতে বাজেটে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছেন শুভেন্দুর সরকার।
সিঙ্গল-উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স(BGBS)
১০০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিল্ডিং প্ল্যান, ট্রেড লাইসেন্স-সহ সমস্ত সরকারি অনুমোদন এক জায়গা থেকেই মিলবে। জেলা পরিষদ বা পঞ্চায়েতের আলাদা অনুমতির প্রয়োজন হবে না।

ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন ফ্রেমওয়ার্ক(BGBS)
শিল্প করিডোরকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রের ক্লাস্টার গড়ে তুলতে নতুন ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন ফ্রেমওয়ার্ক চালু করা হবে।
আর্বান ল্যান্ড সিলিং আইনের সংস্কার(BGBS)
দীর্ঘদিনের শিল্পমহলের দাবি মেনে আর্বান ল্যান্ড সিলিং আইনের পর্যালোচনা করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ল্যান্ড ব্যাঙ্ক গঠন(BGBS)
নতুন ল্যান্ড ব্যাঙ্ক তৈরি করা হবে। পাশাপাশি বন্ধ কারখানার অব্যবহৃত জমি পুনরুদ্ধার করে শিল্পের জন্য ব্যবহারযোগ্য করে তোলা হবে।
২৪ ঘণ্টা ব্যবসার অনুমতি(BGBS)
রাজ্যে দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা ব্যবসা ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালানোর জন্য আইনি অনুমতি দেওয়া হবে।

সিন্ডিকেট ও তোলাবাজির বিরুদ্ধে কড়া আইন(BGBS)
সিন্ডিকেট রাজ, তোলাবাজি এবং বেআইনি অর্থ আদায় রুখতে কঠোর আইন আনবে রাজ্য সরকার। এছাড়াও ঐতিহ্যবাহী ‘কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জ’ কে পুনরায় ফিরিয়ে আনার কথা চিন্তা করছে নতুন সরকার। ফেব্রুয়ারি মাসে শেষ বাণিজ্য সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছিলেন, সাতটি সম্মেলনে মোট ১৯.৫ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছে। তার মধ্যে ১৩ লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। তবে বর্তমান সরকারের মতে, এই প্রতিশ্রুতি সম্পূর্ণই মিথ্যে। তাই নতুন সরকার সেপ্টেম্বরের সম্মেলন থেকেই প্রকল্পের কাজ শুরু করতে চাইছে।


