Ram Mandir
Bengal Liberty
রাম মন্দিরে দানের অর্থ-সহ মূল্যবান সামগ্রী(Ram Mandir) গায়েব কাণ্ডে নতুন মোড়। তদন্তে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসে। এরপরই ট্রাস্ট ঘনিষ্ঠ ৮ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এর মধ্যেই শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন চম্পত রাই। একই সঙ্গে পদত্যাগ করেছেন ট্রাস্ট সদস্য অনিল মিশ্রও। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক চর্চা।

কোটি কোটি টাকার চুরি(Ram Mandir)
গত সেপ্টেম্বর মাসে প্রাক্তন ট্রাস্টি কামেশ্বর চৌপালের মৃত্যু হয়। তাঁর জায়গায় রাম মন্দির ট্রাস্টে যোগ দেন কৃষ্ণ মোহন। তিনিই প্রথম মন্দিরের অর্থ তছরুপের বিষয়ে সরব হন। এই মামলায় প্রথম এফআইআর তিনিই দায়ের করেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই ঘটনার গভীরে পৌঁছাতে বিশেষ তদন্তকারী দল বা ‘সিট’ গঠন করা হয়। তদন্তে নেমে সিটের আধিকারিকেরা এক বিপুল অঙ্কের প্রণামীর হিসাব পান।


তাঁরা দেখেন, রাম মন্দিরে নগদ প্রণামী বাবদ ৩,৫০০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ জমা পড়েছিল। এর সঙ্গে ছিল অগণিত সোনা-রুপোর গয়না। কিন্তু সেই কোষাগার থেকেই একটি বড় অংশের টাকার কোনও হদিস মিলছিল না। ঘটনায় ঘনিষ্ঠ ৮ জন পুলিশি জালে ধরা পড়েন। এরপরই নৈতিক দায় স্বীকার করে শুক্রবার শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের এই দুই শীর্ষকর্তা তাঁদের পদত্যাগপত্র জমা দেন।
এই চরম দুর্নীতির ঘটনা সামনে আসতেই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বলেন, ‘সনাতন ধর্মীয় মূল্যবোধ ও দেবস্থানের পবিত্রতা নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলবে, তাদের কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না। সিটের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে আমাদের সরকার অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম আইনি পদক্ষেপ করবে’


