Sankar Ghosh
Bengal Liberty:
বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বিধানসভায় ‘গুন্ডা দমন বিল’ নিয়ে অত্যন্ত কঠোর বার্তা দিলেন (Sankar Ghosh)। মূলত সমাজবিরোধী কার্যকলাপ ও তোলাবাজি রুখতে রাজ্য সরকার এই কঠোর আইনের প্রণয়ন করলেন। এই বিলের মাধ্যমে শুধুমাত্র গুন্ডাদের শাস্তিই নয়, সমাজবিরোধী হিসেবে চিহ্নিত হলে তাদের সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করা হবে বলে জানা গিয়েছে। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিল পেশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

তিনি সাফ জানান, বিক্ষোভ বা আন্দোলনের নামে সরকারি বা বেসরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করার অধিকার কারও নেই। বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর কড়া বার্তা দিয়েছেন, ” প্রাক্তন সরকারের আমলে পুলিশকে টেবিলের তলায় লুকিয়ে থাকতে বাধ্য করা হত। এই বিল পুলিশকে টেবিলের তলা থেকে বের করিয়ে গুন্ডাদের মাটির তলায় ঢোকানোর বিল। ”
গুন্ডা দমন বিল পাশ
বিজেপি সরকার রাজ্যে অপরাধ, গুন্ডাগিরি ও তোলাবাজি কঠোর হাতে দমনের উদ্দেশ্যে দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পাবলিক সেফটি অ্যান্ড কন্ট্রোল অব অ্যান্টি-সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটিজ বিল, ২০২৬’ এবং ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল মেইনটেইনেন্স ফর পাবলিক অর্ডার (অ্যামেডমেন্ট) বিল, ২০২৬ পেশ করেন। বিধায়ক শঙ্কর প্রাক্তন সরকারের আমলে গুন্ডাগিরি, সিন্ডিকেটের অন্যতম হিসেবে ‘যুবরাজ’ অর্থাৎ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরোক্ষ ভাবে কটাক্ষ করেছেন।
পাশাপাশি, তিনি জানিয়েছেন, ” প্রতিবাদ করার অধিকার থাকলেও সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার অধিকার নেই ” মূলত সমাজবিরোধী ও অপরাধমূলক কার্যকলাপ বন্ধ করতে এই আইনের পথে হাঁটল বাংলার নতুন বিজেপি সরকার। প্রাক্তন সরকারের বিরুদ্ধে গুন্ডামি, ‘তোলাবাজি’র মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। এছাড়াও অশান্তি সৃষ্টিকারী, ভাঙচুর এবং পুলিশ ও সরকারি কর্মচারীদের উপর হামলার মতো ঘটনা বারংবার সামনে এসেছে। ” সবই এখন অতীত” কড়া ভাষায় বার্তা দিলেন বিধায়ক শঙ্কর।


