US Invites India
Bengal Liberty
সন্ত্রাসবাদ কে রুখতে কড়া হাতে দমন করতে তৈরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র(US Invites India) আগামী আগামী সপ্তাহে রাজনৈতিক সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একটি আন্তর্জাতিক মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনের আয়োজন করতে যাচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের মতে, “রাজনৈতিক সন্ত্রাসবাদের পুনরুত্থান” এবং “আন্তর্জাতিক উগ্র-বামপন্থী সন্ত্রাসবাদ” মোকাবিলার লক্ষ্যেই এই বৈঠকের ডাক দেওয়া হয়েছে।
৬০টি দেশের সঙ্গে ভারত কেও এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই আমেরিকার রাজধানীতে হাই – ভোল্টেজ মিটিং নেতৃত্বে দেবেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন।

প্রধান এজেন্ডা ও উদ্দেশ্য(US Invites India)
উদীয়মান নিরাপত্তা হুমকি মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর অংশীদারিত্ব জোরদার এবং গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান বাড়ানোই এই উচ্চ-স্তরের বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য। মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের মুখপাত্র টমি পিগটের মতে, উগ্র-বামপন্থী সন্ত্রাসবাদ একটি পুরোনো হুমকি যা নতুন করে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হয়ে মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।

ভূ-রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও ভারতের অবস্থান(US Invites India)
আন্তর্জাতিক সংশয়(US Invites India)
বেশ কিছু রাষ্ট্র আমেরিকার নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তাঁদের প্রশ্ন যেই দেশ অন্য দেশের সঙ্গে কারণে অকারণে যুদ্ধে জড়িয়ে পরে তাড়া সন্ত্রাসবাদীদের উদ্দেশ্য কি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে?
ভারতের অবস্থান(US Invites India)
গত মে মাসে পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিওর নয়াদিল্লি সফরের সময় ভারতকে সরাসরি আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, ভারত এই সম্মেলনে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধি না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারে ভারত কোনো প্রতিনিধি পাঠাবে না।

আমেরিকার অভ্যন্তরীণ বিতর্ক(US Invites India)
মার্কিন বিচার বিভাগ এবং হোয়াইট হাউসের কিছু কর্মকর্তা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এই ধরনের সন্ত্রাসবিরোধী কঠোর আইন তৈরি হলে তা ভবিষ্যতে রক্ষণশীল গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধেও অপব্যবহার হতে পারে। এই কারণে আমেরিকার অনেক প্রশাসনিক কর্মকর্তাও এই সেশনটি এড়িয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। মধ্যপ্রাচের যুদ্ধ কে কেন্দ্র এমনিতেই ঘরে – বাইরে চরম অসুষ্টিতে আছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প তাই শেষ পর্যন্ত এই বৈঠকটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে সেটাই এখন বড় প্রশ্ন ।

