Municipal Election
Bengal Liberty
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে নভেম্বরের মধ্যেই কলকাতা পুরসভার নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে (Municipal Election)। আগেই জানানো হয়েছিল, ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশনের পরই কলকাতা পুরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই প্রক্রিয়াই এখন দ্রুত এগিয়ে নিয়ে চলেছে পুর প্রশাসন। সোমবার কলকাতা পুরসভার কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে জানান, ডিলিমিটেশনের কাজের জন্য ইতিমধ্যেই দুটি পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৬টি বরোর জন্য পৃথক বরো-ভিত্তিক কমিটি এবং একটি কেন্দ্রীয় ডিলিমিটেশন কমিটি। এই কমিটিগুলির কাজ হবে প্রতিটি ওয়ার্ডের জনবিন্যাস, ভোটার সংখ্যা এবং প্রশাসনিক সুবিধা খতিয়ে দেখে নতুন সীমানার প্রস্তাব তৈরি করা। Municipal Election

নভেম্বরেই কলকাতা পুরভোটের লক্ষ্যে প্রস্তুতি Municipal Election
পুর কমিশনার আরও জানান, আগামী ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে সব কমিটিকে তাদের রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই আগস্টের প্রথম সপ্তাহে নগরোন্নয়ন ও পুর বিষয়ক দফতর (UDMA) নতুন ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের বিস্তারিত তালিকা ঘোষণা করবে।
নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি ওয়ার্ডে ভোটারের সংখ্যা ১৬ হাজার থেকে ১৮ হাজারের মধ্যে রাখা হবে। জনসংখ্যা ও ভোটার বণ্টনের ভারসাম্য বজায় রাখতেই এই পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুরসভা। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হতে চলেছে ওয়ার্ড সংখ্যায়। বর্তমানে কলকাতা পুরসভায় ১৪৪টি ওয়ার্ড রয়েছে। ডিলিমিটেশনের পর সেই সংখ্যা বেড়ে হবে ২০০। পাশাপাশি প্রতিটি ওয়ার্ডের সীমানাও নতুন করে নির্ধারণ করা হবে। তবে বরোর সংখ্যা অপরিবর্তিত রেখে ১৬টিই রাখা হচ্ছে; কেবল প্রতিটি বরোর আওতাধীন ওয়ার্ডের সংখ্যা বাড়ানো হবে।

পুর প্রশাসন স্পষ্ট করেছে যে, এই ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়ায় ভোটকেন্দ্র (বুথ) বা পার্ট নম্বরে কোনও পরিবর্তন করা হবে না। শুধুমাত্র ভোটার জনবিন্যাস এবং ওয়ার্ডের সীমানা পুনর্নির্ধারণের কাজই করা হবে।

প্রশাসনের মতে, নতুন জনবিন্যাসের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ওয়ার্ড পুনর্গঠন করলে নাগরিক পরিষেবা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। এখন সবার নজর ২৭ জুলাইয়ের রিপোর্ট এবং আগস্টের প্রথম সপ্তাহে প্রকাশিত হতে চলা নতুন ডিলিমিটেশন বিজ্ঞপ্তির দিকে।

