Kunal Ghosh
Bengal Liberty: বর্তমান বিজেপি সরকারের আমলে রাজ্যে আইনের শাসন ও কঠোর প্রশাসনিক পদক্ষেপ যখন সুনিশ্চিত হচ্ছে, ঠিক তখনই হতাশা থেকে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বর্তমান সরকারের স্বচ্ছ ও কঠোর পদক্ষেপগুলোকে ধামাচাপা দিতে কুণাল ঘোষ যেভাবে উল্টো সুর গেয়েছেন, তাতে বিরোধী তৃণমূল শিবিরের ভেতরেই ক্ষোভ ও হতাশা চরমে পৌঁছেছে।
অপরাধীদের বাঁচাতে মুখ্যমন্ত্রীর ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা (Kunal Ghosh)
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কড়া বার্তার পর অপরাধীদের বিরুদ্ধে যখন প্রশাসনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, তখন কুণাল ঘোষ উল্টো কথা বলে নিজের দলের পুরোনো সংস্কৃতিকেই আড়াল করার চেষ্টা করছেন। সরকারের জিরো টলারেন্স নীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে গিয়ে তিনি নিজেই পরোক্ষভাবে মেনে নিয়েছেন যে, তৃণমূলের আমলে অপরাধীরা কীভাবে দলবদল করে নিজেদের বাঁচাত। বর্তমান বিজেপি সরকার অপরাধীদের কোনো দল দেখে ছাড় দিচ্ছে না; অথচ কুণাল বাবু সেই নিরপেক্ষ আইনি পদক্ষেপকেই রাজনৈতিক রঙ দেওয়ার অপচেষ্টা করছেন।

শহীদ পরিবার নিয়ে ভণ্ডামি ও নেতার ক্ষোভ (Kunal Ghosh)
অতীতে শহীদ পরিবারগুলোকে নিয়ে প্রাক্তন শাসকদলের প্রহসন এবং সাধারণ মানুষের আবেগকে ব্যবহার করার বিষয়টি আজ আর কারও অজানা নয়। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের প্রতিবাদ করার নাম করে কুণাল ঘোষ নিজেই স্বীকার করেছেন যে, বিগত দিনে শহীদ পরিবারগুলোর আসল পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। বর্তমান সরকার যখন প্রতিটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে সচল করে প্রকৃত ন্যায়বিচার ফিরিয়ে আনতে কাজ করছে, তখন কুণাল বাবুর এই সাফাই দেওয়ার চেষ্টা আসলে তাঁদের বিগত দিনের ব্যর্থতাকেই বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছে।

দলের অন্দরের অন্তর্কোন্দল ও হতাশা (Kunal Ghosh)
প্রবীণ সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য এবং দলের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কুণাল ঘোষ যেভাবে রাখঢাক না রেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন, তাতে স্পষ্ট যে তৃণমূলে এখন চরম আস্থার সংকট চলছে। দলের বিধায়ক ও সাংসদরাই যখন একে অপরের বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন এবং নিজেদের মধ্যে ‘বেইমান’ বা কোন্দলের তত্ত্বে সিলমোহর দিচ্ছেন, তখন সরকারের বিরুদ্ধে উল্টো কথা বলে জনমনযোগ ঘোরানোর চেষ্টা করছে এই শিবির। বিজেপি সরকারের স্বচ্ছ কাজের গতি দেখে পায়ের তলার মাটি সরে যাওয়ার ফলেই এই ধরনের দিশেহারা মন্তব্য করছেন কুণাল ঘোষ।

