Bengal Liberty:
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে রবিবার ফের তলব করল সিআইডি। পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনী জমি দুর্নীতি মামলায় শনিবার দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদের পরও তাঁর বয়ানে একাধিক প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর মেলেনি বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। সেই কারণেই ফের তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।

Sumit Roy
রবিবার সকাল ১০টার মধ্যে ভবানী ভবনে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের আগেই ভবানী ভবনে পৌঁছে যান সুমিত।
আরও খবর
শনিবার সকাল ১০টা নাগাদ সুপ্রিম কোর্টের রক্ষাকবচ নিয়ে ভবানী ভবনে হাজির হয়েছিলেন সুমিত রায়। প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিআইডির আধিকারিকরা। সন্ধ্যা ৮টা ২০ মিনিট নাগাদ ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে তিনি কালীঘাটের উদ্দেশে রওনা হন। সূত্রের খবর, সেখান থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছন তিনি। দীর্ঘ জেরার পরও রবিবার ফের তাঁকে ডেকে পাঠানোয় তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা শুরু হয়েছে।
একাধিক প্রশ্নের উত্তর মেলেনি, দাবি তদন্তকারী সূত্রের
সিআইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, শালবনীতে সরকারি জমি হস্তান্তর ও জমি দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তেই সুমিতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রায় ৩০০ বিঘা সরকারি জমি হস্তান্তর ঘিরে কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাওয়া গিয়েছে বলে আগেই দাবি করা হয়েছিল। এই মামলায় তদন্তে সহযোগিতার শর্তে সুপ্রিম কোর্ট থেকে অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ পেয়েছেন সুমিত। সেই নির্দেশের পরই সিআইডির তলবে সাড়া দিয়ে তিনি হাজিরা দেন।

Sumit Roy
এর আগে একাধিকবার হাজিরার নোটিস দেওয়া হলেও সুমিত তদন্তকারীদের সামনে উপস্থিত হননি বলে অভিযোগ। এমনকি গত ১৩ জুন তাঁকে খুঁজতে কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতেও গিয়েছিল শালবনী থানার পুলিশ। তবে সেখানে তাঁর হদিশ মেলেনি বলে জানা যায়। পরে আগাম জামিনের আবেদন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। আইনি প্রক্রিয়ার পর শনিবার ভবানী ভবনে হাজির হন সুমিত।
Sumit Roy
রবিবার ভবানী ভবনে ঢোকার সময় সাংবাদিকরা তাঁকে ফের তলবের কারণ এবং সিআইডি কী জানতে চাইছে, তা নিয়ে প্রশ্ন করেন। তবে কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি সুমিত। গাড়ি থেকে নেমে সরাসরি তদন্তকারী সংস্থার দফতরে ঢুকে যান তিনি।

আরও পড়ুনঃ পূর্ব বর্ধমানে বালির দাম কমাতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে বৈঠক


