Nepal
Bengal liberty: বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কার ছায়া এবার প্রতিবেশীদেশ নেপালেও। জ্বলছে নেপাল। পদত্যাগ ১১ মন্ত্রী-সহ সেদেশের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে তেমনটাই খবর।

আগেই খবর ছড়িয়েছিল যে, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি দেশ ছেড়ে পালতে পারে। শেখ হাসিনার পলায়ন ভঙ্গিতে। এদিন সেই খবর যেন এক প্রকার সত্যি হল। সেনার পরামর্শ মেনে প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করেছেন। প্রথম থেকেই দেশ ত্যাগের পথেই হাঁটতে চেয়েছেন তিনি বলেই খবর রুটিয়েছিল।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সেনাবাহিনীর হেলিকোপটারে চড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে ঠাই নিয়েছে ওলি। দুদিন আগেও প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হাইসিকিরিটি জোন হিসেবে চিহ্নিত ছিল, আজ নিমিষে তা ভেস্তে গেল। বিক্ষোভকারীদের তাঁর সেই বাসভাবনকে জ্বালিয়ে দিতে দেখা গেল। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগের ঠিক তিন ঘণ্টার মধ্যেই রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ দিলেন।
রাস্তায় ফেলে মারধর করা হচ্ছে মন্ত্রীদের, ছাত্রদের এমন আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে আন্তর্জাতিক মহল (Nepal)
আজ নেপালের অর্থমন্ত্রী, বিদেশ মন্ত্রী, সস্ত্রীক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে বিক্ষোভকারীদের হাতে মার খেতে পর্যন্ত দেখা গিয়েছে।বাদ যাননি উপপ্রধান মন্ত্রীও। এই ঘটনা নানা বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের আচরণ দেখে প্রশ্ন উঠেছে, এরা কি আদেও ছাত্র?
এখানেই শেষ নয়, বর্বরতার চরমসীমায় পৌঁছে গিয়েছে নেপালের ছাত্রযুবরা। বিভিন্ন প্রশানিক দফতর সহ সংসদ ভবন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতি ভবন ও সর্বোচ্চ আদালতে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে। মন্ত্রীরা যাতে কোনওভাবেই অন্যত্র পালাতে না পারে সেইকারণে বিমানবন্দর ঘিরে ফেলেছে বিক্ষোভকারীরা।মন্ত্রীদের নিরাপত্তা প্রদান থেকে হাত গুটিয়ে নিয়েছে পুলিশও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় সর্বদল বৈঠক ডাকা হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি তরফে ৷
অন্যদিকে, নেপালের অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি দেখে ইতিমধ্যেই স্পেশাল অ্যাডভাইজারি জারি করেছে ভারত সরকার। নেপাল সফর বাতিলের পাশাপাশি নেপালে বসবাসকারী ভারতীয়দের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

