Bihar election
Bengal liberty: বিহার নির্বাচনে নগদ টাকা, মাদক ও প্রলোভনের বিরুদ্ধে কড়া নজরদারির নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের। আসন্ন বিহার বিধানসভা নির্বাচনে নগদ অর্থ, মাদক, মদ ও অন্যান্য প্রলোভনের অপব্যবহার রুখতে আজ জাতীয় নির্বাচন কমিশন বৈঠক করে।

কারা কারা উপস্থিত ছিলেন বৈঠকে? (Bihar election)
নির্বাচন সদনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, নির্বাচন কমিশনার ড. সুখবীর সিং সান্ধু ও ড. বিবেক জোশি উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা স্টেকহোল্ডারদের নির্বাচনের সময় সক্রিয় ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আহ্বান জানান। বৈঠকে কেন্দ্রীয় প্রত্যক্ষ কর বোর্ড (CBDT), কেন্দ্রীয় পরোক্ষ কর ও শুল্ক বোর্ড (CBIC), প্রয়োগ অধিদপ্তর (ED), রাজস্ব গোয়েন্দা অধিদপ্তর (DRI), কেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক গোয়েন্দা ব্যুরো (CEIB), আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিট (FIU-IND), ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI), ভারতীয় ব্যাঙ্কার্স অ্যাসোসিয়েশন (IBA), নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (NCB), রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (RPF), CISF, BSF, SSB, বিমান নিরাপত্তা ব্যুরো (BCAS), এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (AAI) ও ডাক বিভাগ উপস্থিত ছিল। এছাড়াও বিহারের মুখ্য সচিব, ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ (DGP), স্টেট পুলিশ নোডাল অফিসার (SPNO) এবং বিহারের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক (CEO) অনলাইনে যুক্ত ছিলেন। বিভিন্ন সংস্থা কমিশনকে তাদের প্রস্তুতি এবং নির্বাচনে অর্থ বা অন্যান্য প্রলোভনের ব্যবহার রোধে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে রিপোর্ট জমা করে।
কমিশনের নির্দেশ, (Bihar election)
অর্থনৈতিক অপরাধ সম্পর্কিত তথ্য ও গোয়েন্দা তথ্য একে অপরের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া এবং কার্যকর সমন্বয় বজায় রাখা আবশ্যক। কমিশন জাতীয়, রাজ্য ও জেলা স্তরে সংস্থাগুলির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ওপর জোর দেয়। পাশাপাশি, প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় পণ্য পাচার, মাদক, মদ ও নগদ অর্থ (সহ জাল মুদ্রা) পরিবহন রোধে নজরদারি জোরদার করার নির্দেশ দেয়। এছাড়াও বিহার নির্বাচনে ‘শূন্য সহনশীলতা নীতি’ (Zero-Tolerance Policy) কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে সে বিষয়টিও স্পষ্ট করেছে কমিশন। যাতে নির্বাচন সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হয়।
