UK bans IRGC
Bengal Liberty
মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের(UK bans IRGC) বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করল ব্রিটেন।
দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-কে সমর্থন, প্রচার বা তাদের হয়ে কাজ করাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ব্রিটিশ সরকার। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে ইরানের ‘ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস’ (আইআরজিসি)-কে সমর্থন, প্রচার বা তাদের হয়ে কাজ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ব্রিটিশ সরকার।


নতুন এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার পর আইআরজিসি-র পক্ষে প্রচার চালানো, অর্থ সাহায্য করা কিংবা সংগঠনের কার্যকলাপে সহযোগিতা করা দণ্ডনীয় ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।এই সিদ্ধান্তের পেছনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ উল্লেখ করে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বক্তব্য রেখেছেন দেশের স্বরাষ্ট্র সচিব শাবানা মাহমুদ।
শাবানা মাহমুদ দাবি করেন(UK bans IRGC)
“সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাজ্যে ইহুদি সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে একাধিক অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং ভয় দেখানোর ঘটনার পেছনে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর হাত রয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে যে, আইআরজিসি-র মদদপুষ্ট ‘ইসলামিক মুভমেন্ট অব কম্প্যানিয়ন্স অব দ্য রাইট’ (আইএমসিআর)-এর সদস্যরা এই ধরনের একাধিক হামলার সঙ্গে যুক্ত। সেই কারণেই আইআরজিসি-র পাশাপাশি আইএমসিআর-কেও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।”

সন্ত্রাসবাদে আইআরজিসি-র মদদ?(UK bans IRGC)
সম্প্রতি বিভিন্ন সন্ত্রাসী কার্যকলাপে ইরানের রেভলিউশনারি গার্ডদের সরাসরি যুক্ত থাকার প্রমাণ মিলেছে। এর পাশাপাশি বিশ্বজুড়ে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন ও মদদ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। দীর্ঘ বহু বছর ধরে আইআরজিসি-র ওপর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা জারি থাকা সত্ত্বেও তারা নিজেদের নেটওয়ার্ক বিস্তার করে চলেছিল। তবে এবারই প্রথম সংগঠনটিকে পুরোপুরি নিষিদ্ধ করে এর প্রতি যেকোনো ধরনের প্রকাশ্য সমর্থনকে অপরাধের আওতায় নিয়ে আসা হলো। এই নতুন নির্দেশিকা কার্যকর হওয়ার পর ব্রিটেন ও ইরানের কূটনৈতিক সম্পর্কের পারদ কতটা চড়ে, তা নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। মধ্যপ্রাচ্যের এই চরম উদ্বেগের আবহে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন কোনো সমীকরণ তৈরি হয় কি না, এখন সেটাই দেখার।

