Bengal Liberty:
ব্যাঙ্গালোর থেকে পাকিস্তানি জঙ্গি-যোগের সন্দেহে NIA-এর হাতে গ্রেফতার উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়ার বাসিন্দা আশাফুল মল্লিক। বাদুড়িয়া থানার যদুরহাটি পঞ্চায়েতের নোয়াপাড়া এলাকায় তাঁর বাড়ি। দেড় বছর আগে কাজের সন্ধানে ব্যাঙ্গালোরে পাড়ি দিয়েছিলেন আশাফুল। সেখানে একটি বেসরকারি সংস্থায় নিরাপত্তারক্ষীর কাজ করতেন বলে পরিবারের দাবি। হঠাৎ তাঁর গ্রেফতারির খবর আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।

NIA Arrest
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, আশাফুল পড়াশোনায় ভালো ছিলেন। উত্তর ২৪ পরগনার গোবরডাঙা কলেজ থেকে স্নাতক পাশ করার পর বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বসেছিলেন। এমনকি ব্যারাকপুরে পুলিশে চাকরির পরীক্ষাতেও অংশ নিয়েছিলেন। একাধিক পরীক্ষায় সাফল্য না পাওয়ার পর শেষ পর্যন্ত কাজের সন্ধানে ব্যাঙ্গালোরে চলে যান তিনি। দেড় বছর আগে সেখানে যাওয়ার পর আর বাড়ি ফেরেননি আশাফুল।
আরও খবর
NIA Arrest
আশাফুলের মা হাসিনা বিবি জানান, ব্যাঙ্গালোর থেকে পুলিশ ফোন করে তাঁর ছেলেকে গ্রেফতার করার কথা জানায়। পরিবারের কাউকে সেখানে যেতে বলা হয়। এরপর আশাফুলের বাবা ব্যাঙ্গালোরে যান। পরিবারের দাবি, এখনও তিনি সেখানেই রয়েছেন।
পাসপোর্ট ও বিদেশি লেনদেনের তথ্য (NIA Arrest)
স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, তদন্তকারীরা আশাফুল ও তাঁর বাবাকে মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন। আশাফুলের একটি পাসপোর্ট রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। পাশাপাশি, তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বিদেশ থেকে টাকা ঢোকার প্রমাণ তদন্তকারীরা পেয়েছেন বলে সূত্রের দাবি। তবে এই অর্থ লেনদেনের সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের কী যোগ রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

এদিকে, গ্রামের মানুষের কাছে আশাফুল বরাবরই শান্ত ও ভদ্র ছেলে হিসেবে পরিচিত। প্রতিবেশী মুশিদা বিবির কথায়, আশাফুল সবসময় পড়াশোনা এবং চাকরির প্রস্তুতি নিয়েই থাকতেন। তাঁর এমন কোনও কর্মকাণ্ডের কথা তাঁরা কখনও দেখেননি।
NIA Arrest
আর এক প্রতিবেশী শুকর আলী মণ্ডলও জানান, আশাফুল বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষা দিতেন। চাকরি না পেয়ে কাজের সন্ধানে ব্যাঙ্গালোরে গিয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে ঠিক কী অভিযোগ, তা তাঁরা এখনও জানেন না। ফলে NIA-এর গ্রেফতারির খবরের পর বিস্মিত গোটা নোয়াপাড়া। তদন্ত এগোলেই আশাফুলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে।

আরও পড়ুনঃ তৃণমূল জিতলে তবেই দলে থাকতেন রচনা! অভিনেত্রীর বক্তব্যে কী বললেন কল্যাণ?


