BJP Complaint against Mamata
Bengal Liberty Desk, ৩০ মার্চ, কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের মুখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লাগাতার উস্কানিমূলক ও ভীতিপ্রদর্শনকারী মন্তব্যের বিরুদ্ধে সরব হল বিজেপি। আজ, সোমবার দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে গিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের বিজেপি প্রতিনিধি দল মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘনের একগুচ্ছ অভিযোগ জমা দেন। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, কিরেণ রিজিজু এবং কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের সই করা এই চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি নির্বাচনী প্রচার থেকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে।
ভোটের পর ভিটেছাড়া করার হুমকি (BJP Complaint against Mamata)!
বিজেপির অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৫ মার্চ ময়নাগুড়ির সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী হুমকি দিয়েছেন যে, নির্বাচনের পর বিজেপি সমর্থকদের বাড়ির সামনে “আমি বিজেপি করি না” লেখা পোস্টার লাগাতে হবে। গেরুয়া শিবিরের দাবি, এটি সরাসরি ভোটারদের মৌলিক অধিকার এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতার ওপর নগ্ন আক্রমণ।
অস্ত্র নিয়ে বেরোনোর ডাক (BJP Complaint against Mamata)

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, নকশালবাড়ি ও পাণ্ডবেশ্বরের সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহিলাদের “ঘরে যা আছে তাই নিয়ে” রাস্তায় নামার প্ররোচনা দিয়েছেন। বিজেপির অভিযোগ, এই প্ররোচনার ফলেই ২৬ মার্চ বাসন্তীতে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী প্রচারে বেরোনো বিজেপি কর্মীদের ওপর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা প্রাণঘাতী হামলা চালায়। এমনকি পুলিশ সেখানে নীরব দর্শক হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিজেপির প্রধান দাবিগুলি (BJP Complaint against Mamata)-
বিজেপির প্রধান দাবিগুলির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অবিলম্বে নির্বাচনী প্রচার থেকে নিষিদ্ধ করতে হবে। প্ররোচনামূলক বক্তব্যের জন্য তাঁর বিরুদ্ধে FIR দায়ের করতে হবে।
আরও পড়ুন (BJP Complaint against Mamata)-
WB Deputy CEO Removed: CEO দফতরে বড় রদবদল, ডেপুটি সিইও-সহ একাধিক আধিকারিক বদল কমিশনের
Election Commission India : বঙ্গ ভোটের ঘণ্টা বেজে গেল! নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি, নির্দিষ্ট হল ভোটের সময়সূচি
রাজ্য পুলিশের ওপর আস্থা না রেখে সংবেদনশীল এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সক্রিয়তা বাড়াতে হবে। নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে আরও বেশি সংখ্যক IAS ও IPS পর্যবেক্ষক নিয়োগ করতে হবে।
বিজেপির প্রতিনিধি দলের মতে, পশ্চিমবঙ্গে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের অনুনয়-বিনয় বা সতর্কবার্তা আর যথেষ্ট নয়। এবার প্রয়োজন কঠোর এবং দৃষ্টান্তমূলক আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার।
