Abhishek Banerjee
Bengal Liberty, ১৮ মে :
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পর্ব মিটলেও, বঙ্গ রাজনীতিতে উত্তাপের পারদ ঊর্ধ্বমুখী! ভোট-পরবর্তী এই তপ্ত আবহাওয়ায় এবার রক্ষাকবচ চেয়ে সরাসরি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন জোড়াফুল শিবিরের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সম্ভাব্য কড়া পদক্ষেপ বা গ্রেফতারির আশঙ্কায় রবিবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে আগাম রক্ষাকবচের আবেদন জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী অর্ককুমার নাগ। কিছুক্ষণ আগেই আইনি সুরক্ষার দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন ফলতা বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী তথা অভিষেক ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত জাহাঙ্গির খান। তার কিছুক্ষণ পরই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের এহেন পরিস্থিতিতে জল্পনা রাজনৈতিক মহলে (Abhishek Banerjee)।

ঠিক কী কারণে এই আইনি পদক্ষেপ? (Abhishek Banerjee)
আদালত সূত্রের খবর, সদ্য সমাপ্ত ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারপর্বে অভিষেকের ফেসবুক লাইভ বা সম্প্রচারিত বক্তব্য ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত। অভিযোগ, তাঁর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে সম্প্রচারিত ভাষণে অমিত শাহকে নিশানা করে এমন কিছু আপত্তিকর শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, যা সমাজে অশান্তির আগুন জ্বালাতে পারে। বাগুইআটির জনৈক সমাজকর্মী রাজীব সরকার এই মর্মে বিধাননগর উত্তর সাইবার ক্রাইম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর স্পষ্ট দাবি, নির্বাচনী প্রচারের ওই ভাষণে রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর সরাসরি ইন্ধন রয়েছে। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই ইতিমধ্যে পুলিশের তরফে এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু (Abhishek Banerjee)
এফআইআর দায়ের হতেই আর কালবিলম্ব না করে হাইকোর্টে আইনি সুরক্ষার আবেদন জানিয়েছে তৃণমূল সাংসদের আইনজীবী শিবির। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বাদানুবাদ। ঘাসফুল শিবিরের অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবেই বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে এই ধরনের ভিত্তিহীন মামলা সাজানো হচ্ছে। অন্যদিকে, গেরুয়া শিবিরের পালটা দাবি, “আইন আইনের পথেই চলবে।” তাদের মতে, জনসমক্ষে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করে সমাজে উত্তেজনা ছড়ানোর অধিকার কারও নেই।
