Technology in World Cup 2026 Ball
Bengal Liberty, ২৫ মে ২০২৬: ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ অনেকদিক দিয়েই এক ঐতিহাসিক বিশ্বকাপ হতে চলেছে। প্রথমত তিনটি আয়োজক দেশ কানাডা, মেক্সিকো ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তাঁর সাথে ৩২টি দল থেকে বেড়ে ৪৮টি দল এবারের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করছে। সঙ্গে ৬৪টি ম্যাচের বদলে ১০৪টি ম্যাচ। পুরো একমাস ধরে বিশ্বকাপের জ্বরে কাবু থাকবে গোটা পৃথিবী। এরই সাথে তিনটি আয়োজক দেশ মিলিয়ে মোট ১৬টি জায়গায় ম্যাচগুলি খেলা হবে।
এসবের মধ্যেই ফুটবল খেলতে জেতা সবচেয়ে জরুরি সেটা হচ্ছে বল। আর এবারের বলেও আছে চমক যা প্রযুক্তি ও ঐতিহ্যর সুন্দর মেলবন্দন ঘটাবে।

বলে চিপ (Technology in World Cup 2026 Ball)
আসন্ন বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বলের নাম হচ্ছে ট্রাইওন্ডা যা বিখ্যাত স্পোর্টস ব্র্যান্ড অ্যাডিডাস তৈরী করেছে। তিনটি আয়োজক দেশের পতাকা কে মিলিয়ে ঘটিত হয়েছে এই সুন্দর বলতি। কিন্তু এ বলের আরেক বিশেষ ক্ষমতা হলো এই বলে ডিপ-সিম প্রযুক্তি ও ৫০০ হার্ৎজ মোশন সেন্সর। ভিএআর সিদ্ধান্তকে আরও নির্ভুল করতে এই বলেরও ভূমিকা থাকবে। দ্রুত সিদ্ধান্তে সহায়তার পাশাপাশি বাতাসে বলের স্থিতিশীলতাও বাড়াবে ‘ট্রাইওন্ডা’। ফিফা ও অ্যাডিডাসের দাবি, দীর্ঘ গবেষণা ও পরীক্ষার পরই এই প্রযুক্তি আনা হয়েছে।
Shamim Ahmed: হাফপ্যান্ট-গেঞ্জিতে হাতকড়া বন্দি শামিম@SuvenduWB @BJP4Bengal @MamataOfficial @abhishekaitc @AITCofficial @bengalliberty1 #westbengal #westbengalnews #suvenduadhikari #shamimahmed #shibpur #bengalliberty pic.twitter.com/b3GtTmutVj
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) May 25, 2026

প্রযুক্তি সম্পূর্ণ বল (Technology in World Cup 2026 Ball)
এই প্রথম বিশ্বকাপে এমন বল ব্যবহার হতে চলেছে যা খেলার সঙ্গে উন্নত ট্র্যাকিং ডিভাইস হিসাবেও কাজ করবে। বলের ভেতরেও একটি মোশন সেন্সর চিপ যুক্ত করা হয়েছে যাতে খেলোয়াড়রা যখন দূর পালার শট মারবে তখন রেফারি খুব সহজেই ট্র্যাক করতে পারবে রেফারি, লাইনসম্যান সবার হাতেই ট্র্যাকিং ডিভাইস থাকবে। প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫০০ বার ডেটা সংগ্রহ করতে পারে। ফলে বল কখন, কোথায়, কী গতিতে যাচ্ছে বা কোন খেলোয়াড় সেটিকে স্পর্শ করছে, সব তথ্যই সঙ্গে সঙ্গে পাওয়া যাবে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অনেকের ধারণা বলে চিপ লাগালে বলের ওজন বেড়ে যাবে। কিন্তু এই বলের সাথে সেই সমস্যা হবে না। কারণ এমনভাবে সেন্সরটি বসানো হয়েছে যাতে বলের স্বাভাবিক ওজন, গতি বা বাউন্সে কোনও পরিবর্তন না আসে। অর্থাৎ ফুটবলাররা বল ব্যবহার করার সময় আলাদা কোনও পার্থক্য অনুভব করা যাবে না।

যত সময় এগোচ্ছে ততই বিশ্বকাপের উত্তেজনা, উন্মাদনা বেড়েই চলেছে আর নতুন কি কি জিনিস পত্র এই মেগা ইভেন্টে দেখা যায় সেটাই এখন দেখার।

