Israel Palestine
Bengal Liberty
ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতে নয়া মোড়! ফিলিস্তিনি(Israel Palestine) বন্দিদের জেল থেকে পালানোর প্রবণতা ঠেকাতে ইসরায়েল সরকার কারাগারের চারপাশে কুমিরভরা পরিখা তৈরির একটি বিতর্কিত পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রী ইতামার বেন-গ্যভির এই প্রস্তাবটি দিয়েছেন। অন্যদিকে, পরিবেশমন্ত্রী ইদিত সিলমান এই পরিকল্পনার আইনি বাধা দূর করতে নীলনদের কুমিরের ‘সংরক্ষিত’ মর্যাদাও বাতিল করেছেন।

প্রেক্ষাপট(Israel Palestine)
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় অবস্থিত একটি অভিবাসন আটক কেন্দ্রে—যা “অ্যালিগেটর অ্যালকাট্রাজ” নামে পরিচিত—কুমির ব্যবহারের ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গ্যভির এই অভিনব প্রস্তাবটি আনেন।

আইনি পদক্ষেপ(Israel Palestine)
ইসরায়েলের পরিবেশমন্ত্রী ইদিত সিলমান নীলনদের কুমিরকে সংরক্ষিত বন্যপ্রাণীর তালিকা থেকে বাদ দিয়ে ‘বিশেষভাবে পরিচালিত বন্যপ্রাণী’ হিসেবে নতুন আইনি শ্রেণিতে অন্তর্ভুক্ত করার একটি অধ্যাদেশে স্বাক্ষর করেছেন। এর ফলে নিরাপত্তার প্রয়োজনে জেলখানা কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে কুমির রাখার আইনি অনুমতি পাবে।
বর্তমান পরিস্থিতি ও পরিকল্পনা(Israel Palestine)
পরিদর্শন(Israel Palestine)
ইসরায়েলের প্রিজন সার্ভিস ইতিমধ্যে কুমির লালন-পালনের প্রয়োজনীয়তা ও নিরাপত্তার দিকটি খতিয়ে দেখতে বিভিন্ন খামার পরিদর্শন শুরু করেছে।

অবস্থান(Israel Palestine)
প্রস্তাবিত এই “কুমির জেলখানা” বা হাই-সিকিউরিটি ডিটেনশন সেন্টারটি ইসরায়েল অধিকৃত সিরিয়ার গোলান মালভূমি সংলগ্ন হামাত গাদের এলাকায়, জর্ডান সীমান্তের কাছে নির্মাণের কথা বলা হচ্ছে।
সমালোচনা(Israel Palestine)
বিভিন্ন পরিবেশবাদী সংস্থা, ইসরায়েলের নেচার অ্যান্ড পার্কস অথরিটি এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের আইন উপদেষ্টা এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছেন। তাঁদের মতে, নিরাপত্তার কাজে বন্যপ্রাণীদের এভাবে ব্যবহার করা আইনের মূল চেতনার পরিপন্থী। এছাড়া, এই সিদ্ধান্তের সপক্ষে পর্যাপ্ত পেশাদার ও বাস্তবসম্মত কোনো প্রমাণও নেই।
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন সংঘাতের পটভূমি(Israel Palestine)
ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের সংঘাত মূলত একই ভূমির ওপর দুটি ভিন্ন জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এক ঐতিহাসিক ও ভূরাজনৈতিক সমস্যা।

ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে ইহুদিদের জন্য নিজস্ব রাষ্ট্র গঠনের আন্দোলন (জায়নবাদ) এবং পরবর্তীতে ব্রিটিশ শাসনামলে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যকার বিরোধ থেকে এই সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে। আর বর্তমান সময়ে এই নতুন নির্দেশিকাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

