Shamyaprasad Mukherjee
Bengal Liberty : হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই! এর আগে একাধিকবার এই সম্প্রীতির প্রমাণ মিলেছে (Shamyaprasad Mukherjee)। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকীতে আরও একবার প্রমাণিত হল সেই শাশ্বত সত্য। অবিভক্ত ভারতে যখন বাংলা ভাগের প্রস্তাব ওঠে, তখন শ্যামাপ্রসাদ হিন্দু বাঙালিদের স্বার্থ রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ নামে একটি আলাদা রাজ্য গঠনের দাবি জোরালো করেন। যার কারণে আজ অনেক হিন্দু পশ্চিমবঙ্গে থাকতে পারছে বাংলাদেশে নয়। তিনি ভারতমাতার বীর সন্তান। ‘ভারত কেশরী’। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্মজয়ন্তীতে রাজ্যজুড়ে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বিশেষ ভাবে এই অনুষ্ঠান পালন করলেন খানাকুলের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষরাও। হিন্দু মুসলিম হাত ধরে তাঁর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করলেন। তাঁদের এই মেলবন্ধনে প্রশ্ন উঠছে, শ্যামাপ্রসাদ, যাঁকে সমালোচকরা বরাবর কেবলই ‘হিন্দু নেতা’ বলে তকমা দিয়ে এসেছেন-অবশেষে এই চিরাচরিত মিথ কি ঘুচবে (Shamyaprasad Mukherjee)?

খানাকুলে জাত-ধর্ম ভুলে শ্যামাপ্রসাদের জন্মজয়ন্তী পালন (Shamyaprasad Mukherjee)
এদিন অন্যান্য জায়গার মতোই সাত সকালে শ্যামাপ্রসাদের জন্মবার্ষিকী সাড়ম্বরে পালিত হয় খানাকুলের মুচিঘাটা এলাকায়। অন্যান্য জায়গার তুলনায় এই কর্মসূচি একটু আলাদা। এতদিন যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষরা তৃণমূলের দাপুটে পর্দার আড়ালে থাকতেন, তাঁরাই বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর পর্দা ঘুচিয়ে সর্বসম্মুখে শ্যামাপ্রসাদের জন্মজয়ন্তী পালন করলেন। তাঁদের কথায়, শাসকের দাপটকে হার মানিয়ে জয় পেয়েছেন তাঁরা। তাই আর কোনও গলিতে নয় মূল রাস্তার ধারে ডক্টর মুখার্জিকে সম্মান জানাতে সফল তাঁরা। স্থানীয় বিজেপি সমর্থক শেখ ইমরান আলি বলেন, “আমরা হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই। জাত ভেদ পূর্বতন সরকারের আস্ফালন ছিল। সংখ্যালঘুদের নিজেদের মুঠোয় রাখার প্রচেষ্টা চলত। বর্তমানে আমরা সবাই এক। আমরা খুশি ভারতমাতার বীর সন্তানকে শ্রদ্ধা জানাতে পেরে।”
উল্লেখ্য, শনিবার রাতে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির সদ্য বানানো বেদি ভাঙচুরের করা হয়। উত্তর কলকাতার সুকিয়া স্ট্রিটে রামমোহন লাইব্রেরির উল্টো দিকে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শেখ ইমরান আলি সিপিএমের দিকেই আঙুল তুলেছেন।

আরও পড়ুন :
Narendra Modi: ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তীতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

