Bengal Liberty:
অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর চিকিৎসা সংক্রান্ত বিস্তারিত রিপোর্ট প্রকাশ করল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, ডান হাত ও আঙুলে তীব্র ব্যথা, ঝিনঝিন ভাব এবং গ্রিপের শক্তি কমে যাওয়ার সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। অস্ত্রোপচারের পর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় ৮ আগস্ট তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

Mithun Chakraborty
হাসপাতালের রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় দু’বছর আগে মিঠুনের ডান হাতের কনুইয়ের নীচের অংশে জটিল ধরনের হাড় ভাঙার চিকিৎসা হয়েছিল। সেই সময় ধাতব প্লেট ও স্ক্রু দিয়ে অস্ত্রোপচার করা হয়। পরবর্তীতে ওই জায়গায় সমস্যা দেখা দেওয়ায় প্লেট ও স্ক্রু খুলে দেওয়া এবং স্নায়ুর উপর চাপ কমানোর জন্য ফের অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা।
আরও খবর
অভিনেতার শারীরিক অবস্থা সন্তোষজনক, জানালেন চিকিৎসকরা
হাসপাতালের অস্থি ও আঘাত চিকিৎসা বিভাগের চিকিৎসক সোমনাথ দে-র নেতৃত্বে অস্ত্রোপচারটি হয়। চিকিৎসকেরা জানান, অস্ত্রোপচারের সময় দেখা যায়, ৬ মিলিমিটারের একটি বিশেষ ধরনের স্ক্রু হাতের গুরুত্বপূর্ণ একটি স্নায়ুর উপর চাপ তৈরি করছিল। ওই স্ক্রুটিকেই অভিনেতার ব্যথা ও ঝিনঝিন ভাবের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে স্ক্রুটি খুলে ফেলা হয় এবং স্নায়ুকে চাপমুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

Mithun Chakraborty
হাসপাতাল সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, অস্ত্রোপচারের পর মিঠুনের হাত ও আঙুলের অসাড়তা এবং দুর্বলতার যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। একই সঙ্গে আঙুলের গ্রিপও ফিরে এসেছে। অস্ত্রোপচারের পর তাঁর শারীরিক অবস্থায় কোনও জটিলতা দেখা যায়নি। গোটা প্রক্রিয়াটিও সন্তোষজনক ছিল।
Mithun Chakraborty
অভিনেতার চিকিৎসায় অস্থি চিকিৎসা, প্লাস্টিক সার্জারি, স্নায়ুরোগ চিকিৎসা এবং অ্যানাস্থেশিয়া বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি চিকিৎসক বোর্ড কাজ করেছে। হাসপাতালের মেডিক্যাল ডিরেক্টর জানিয়েছেন, সমন্বিত চিকিৎসা এবং চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণের ফলেই তাঁর দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে।
Mithun Chakraborty
এদিকে, শুক্রবার সকালে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী হাসপাতালে গিয়ে মিঠুন চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। পরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী হাসপাতালের চিকিৎসক ও চিকিৎসাকর্মীদের প্রশংসা করেন।

আরও পড়ুনঃ কাটোয়ায় তোলা না দেওয়ায় মারধর, বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর


