TMC
Bengal Liberty : হল না! কোনও তৃণমূলই ছাড়পত্র পেলেন না। কলকাতা পুলিশের তরফে ঋতব্রত তৃণমূল এবং কালীঘাট তৃণমূল উভয় পক্ষকেই সাফ জানিয়ে দেওয়া হল, ধর্মতলার মতো ব্যস্ততম জায়গায় ২১ জুলাই সভা করা করা যাবে না (TMC)। অতঃপর চাপে দুই শিবির। এরই মধ্যে অনুমতি মেলার আগেই একধাপ এগিয়ে গিয়েছিল কালীঘাট তৃণমূল। রবিবার ছুটির দুপুরে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ, রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন সহ বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী সভার অনুমতি পাওয়ার আগেই ধর্মতলায় শহিদ স্মরণ সভার প্রস্তুতিতে মঞ্চ এবং আনুষঙ্গিক মাপজোক করে এসেছেন। এবার তো সবটাই ‘অসারে জলসার’। অতঃপর তৃণমূলের দুই পৃথক শিবির কোথায় সভা করবেন সেটাই দেখার (TMC)।

২১ জুলাইয়ের মঞ্চ ঘিরে দড়ি-টানাটানি দুই তৃণমূল শিবিরের (TMC)
উল্লেখ্য, ২৭ জুন, শনিবার একদিকে ঋতব্রতর নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী তৃণমূল, অন্যদিকে কালীঘাট তৃণমূলের মধ্যে রেষারেষি শুরু হয়। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ, যে মঞ্চ এত বছর তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শনের মঞ্চ ছিল। সেই মঞ্চকে নিয়ে দুই তৃণমূলের মধ্যে দড়ি টানাটানি শুরু। উভয় তৃণমূলই ভিক্টোরিয়া হাউজের সামনে সভা করতে চেয়ে শনিবার কলকাতা পুলিশের কাছে আবেদন জানায়। ওইদিন, ইএম বাইপাসের এক হোটেলে বৈঠক করে ঋতব্রত তৃণমূল। বৈঠকের পরই কলকাতা পুলিশের কাছে সভার অনুমতি চায় এই দল। অপরদিকে কালীঘাট তৃণমূলের তরফ থেকেও ওইদিন বিকেলে একই অনুমতি চাওয়া হয়। এপ্রসঙ্গে বৈঠকের ভেতরে সন্দীপন সাহা বলেন – “আমরাই আসল তৃণমূল। আমরা আছি। আমরাই থাকব। আপনারা আমাদের ওপর আস্থা রাখুন।” কিন্তু দড়ি টানাটানিতে জয় হল না কোনোপক্ষেরই। সভা করার অনুমতি দিলেন না কোনও পক্ষকেই। দুই তৃণমূলের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে চলেছে সেদিকেই নজর সর্ব মহলের।



